নাটক তোপ
তৃণমূলের যে কর্মসূচি ছিল, তা নিয়ে সমাজমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন ব্রাত্য। পাশাপাশি, মেহেবুব জানিয়েছেন, শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের আন্দোলনে এলেও, তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য প্রসঙ্গে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিরোধীরাও। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এ দিন কৃষ্ণনগরে বলেছেন, “শিক্ষকদের হুমকি দিচ্ছেন টুয়েলভ পাশ একটা লোক (কুণাল)! কান ধরে ওঁকে আগে কলেজে ভর্তি করান। আর ফিরহাদ হাকিম পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেলে বুঝতেন, সেটা কতটা কঠিন। তৃণমূল চুরি করেছে বলে শিক্ষকদের চাকরি গিয়েছে।” ‘চোর’ এবং পুলিশ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীও। তাঁর বক্তব্য, “বিকাশ ভবনে মাস্টারমশাইদের বিরুদ্ধে যা ঘটেছে, তা বর্বরতার পরিচয়। চাকরি-চোরেরা লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। পাশে পুলিশ। কিন্তু চোর ধরার হিম্মত নেই। মুখ্যমন্ত্রী-সহ প্রশাসন চাকরি চোরদের পাশে।” প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও বলেছেন, “সরকারের কাছে আবেদন, বাংলার ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না। যাঁদের ক্লাসঘরে থাকার কথা, তাঁরা রাস্তায়। অনেকে আহতও হয়েছেন।”
পথের প্রতিবাদও এ দিন অব্যাহত ছিল। শিক্ষকদের উপরে পুলিশের ‘হামলা’র প্রতিবাদে এসইউসি-র ছাত্র, যুব-সহ বিভিন্ন সংগঠনের ডাকে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ হয়েছে। একই বিষয়ে শিলিগুড়িতে প্রতিবাদ মিছিল করেছে সিটু, এআইসিসিটিইউ, ইউটিইউসি-সহ কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি। ‘সেভ ডেমোক্রেসি’র উদ্যোগে মৌলালি মোড় থেকে মেট্রো চ্যানেল পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল এবং পরে সভা হয়েছে। ছিলেন প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান, আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য, সংগঠনের সম্পাদক চঞ্চল চক্রবর্তী এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টেরা।