Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 13th Aug 2025

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
  • page-13.html
    Page 13
  • page-14.html
    Page 14
  • page-15.html
    Page 15
  • page-16.html
    Page 16
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • রাজ্য/দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • রাজ্য/দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
কলকাতা আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 4
Wednesday, 13 Aug, 2025

Share Article

facebook
X
Whatsapp

সমৃদ্ধি

তরুণকান্তি নস্করের ‘বিকল্প শিক্ষানীতির নির্মাণ’ (১১-৭) শীর্ষক প্রবন্ধটির সম্পর্কে কিছু কথা। এ কথা মানতে হবে, ভারতের মতো একটি বৃহৎ দেশে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে কখনও সর্বসম্মত কোনও শিক্ষানীতি প্রণীত হবে না। অবশ্যই বর্তমানের জাতীয় শিক্ষানীতি প্রসঙ্গে নানা সমালোচনা আছে। কিন্তু প্রবন্ধকার যে বিকল্প নীতির কথা তুলে ধরেছেন, সেটির রূপকার ‘সারা ভারত সেভ এডুকেশন কমিটি’। এই কমিটি যে শিক্ষানীতির কথা বলেছে, তার বাস্তবায়নে সারা দেশের শিক্ষার জন্য মোট বাজেট বরাদ্দের কমপক্ষে ১০ শতাংশ করার দাবি করা হয়েছে। এই দাবিকে যথার্থ বলেই মনে করি।

কিন্তু শিক্ষাকে কেবলমাত্র রাজ্য তালিকাভুক্ত করার যে দাবি সেভ এডুকেশন কমিটি করছে, তার কোনও সারবত্তা নেই। বর্তমানে শিক্ষা যুগ্ম তালিকাভুক্ত। এতেই দেখা যাচ্ছে শিক্ষা নিয়ে রাজ্যগুলি ইচ্ছামতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে মূল শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তিকেই নষ্ট করছে। আমাদের রাজ্যে বাম আমলে প্রাথমিক স্তর থেকে ইংরেজি ভাষা তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে এই সেভ এডুকেশন কমিটি দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়েছিল। যুগ্ম তালিকার মধ্যে থেকেই রাজ্যে শিক্ষার যা বেহাল দশা, তার গঙ্গাপ্রাপ্তি হবে যদি শিক্ষাকে রাজ্য তালিকাভুক্ত করা হয়। আসলে যখন যে রাজনৈতিক দল রাজ্যে বা কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকে, তারা তাদের মতাদর্শকেই শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে চাপিয়ে দিতে চায়। সাম্প্রতিক সময়ও তার ব্যতিক্রম নয়।

প্রবন্ধকার স্কুল স্তরে সিমেস্টার পদ্ধতি প্রয়োগের প্রসঙ্গে যে যুক্তি দিয়েছেন, সেটি সঠিক বলেই মনে করি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েক বছর ধরে স্কুল স্তরে অনেকগুলি পর্বভিত্তিক পরীক্ষা এবং বর্তমানে সিমেস্টার ব্যবস্থা ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের স্পৃহাকে নষ্ট করে দিয়েছে। বর্তমানে একাদশ দ্বাদশ শ্রেণিতে সিমেস্টার পদ্ধতির জন্য বিভিন্ন বিষয়ের যে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে, তার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে বলে জানা নেই। এর ফলে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানের গভীরতা কোনও ভাবেই অর্জন করতে সক্ষম হবে না।

পিইপি মডেল প্রণেতারা ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থার বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের মনে হয়েছে যে, ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থা মানে শিক্ষার গৈরিকীকরণ। ‘গৈরিকীকরণ’, ‘সাম্প্রদায়িকীকরণ’, ‘কেন্দ্রীকরণ’ প্রভৃতি গালভরা শব্দ বর্তমানে চার দিকে হামেশাই শোনা যাচ্ছে। অথচ, প্রাচীন ভারতবর্ষের জ্ঞানচর্চা এবং শিক্ষাপদ্ধতি যে কতটা উন্নত ছিল, তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি। নালন্দা, তক্ষশীলা প্রভৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার জ্ঞানপিপাসু ছাত্র বিদেশ থেকে ভারতে এসে সমৃদ্ধ হয়ে ফিরে গিয়েছেন নিজ দেশে। ভারতীয় শিক্ষার আদর্শ কখনও একটি সীমিত গণ্ডির মধ্যে মানুষকে আবদ্ধ করতে শেখায়নি।

বর্তমানে রাজ্য সরকারগুলি যে নীতি গ্রহণ করেছে জাতীয় শিক্ষানীতি সম্পর্কে সেটি হল— জাতীয় শিক্ষানীতিকে মেনে নিয়েও প্রতিটি রাজ্য কর্তৃক তাদের রাজ্যের অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিষয়ে সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া। বিভিন্ন রাজ্য থেকে যে প্রস্তাবগুলি সংশোধনের জন্য দেওয়া হয়েছে, এই মুহূর্তে প্রয়োজন সেগুলির বিচার বিশ্লেষণ করে সহমতের ভিত্তিতে জাতীয় শিক্ষানীতিকে মজবুত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করা। ভারতীয় দর্শন, ভারতীয় শিক্ষার আদর্শ, ভারতীয় মনীষীদের চিন্তাভাবনার উপর ভিত্তি করেই জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে এবং অবশ্যই বিদেশের ভালটিকেও গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু এর বিপরীতটা না হওয়াই কাম্য।

সন্দীপ সিংহ
হরিপাল, হুগলি

শিক্ষার পরিবেশ

সাম্প্রতিক কালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির যা অবস্থা, তাতে বলা চলে— শুধুমাত্র খাতায় কলমে নয়, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক ভাবে অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটির পর্যালোচনা মিটিং করতে হবে। কমিটির মধ্যে যে-হেতু সংশ্লিষ্ট কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ইনচার্জ, অধ্যাপক, শিক্ষাকর্মী, ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধি থাকেন, তাই মিটিংগুলি নিয়মিত সংগঠিত হলে বর্তমান পরিস্থিতির বিচার, এবং দলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে তা সহায়ক হয়ে উঠবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্রছাত্রীরা প্রাক্তন এবং বহিরাগত, দলীয় রাজনীতির আনুগত্য দ্বারা প্রভাবিত কিছু অবাঞ্ছিত ব্যক্তির দাদাগিরি, ভয় দেখানো এবং র‌্যাগিং-এর শিকার হয়েও ভয়ে সিঁটিয়ে থাকে। পরিবারের কাছেও অনেক সময় নিজেদের নিরাপত্তা হারানোর ভয়ে ঘটনাগুলি চেপে যায়, পাছে ইউনিয়নের দাদাদের চোখরাঙানি আরও বেড়ে যায়।

রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আমরা আতঙ্কিত। এ ধরনের ঘটনা কি চলতে দেওয়া যায়? আমাদের বাড়ির ছেলেমেয়েরা যাতে সুস্থ পরিবেশে পড়াশোনা চালাতে পারে তার সুনিশ্চিত ব্যবস্থা করা‌ কি সংশ্লিষ্ট কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালন সমিতি কিংবা অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটির দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না? দীর্ঘ দিন ধরে ছাত্র সংসদের নির্বাচন না হওয়াও একটা সমস্যা। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নিয়মিত সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচন করা অবশ্যই প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সর্বোপরি উচ্চ শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষেপের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

‌মুস্তাক আলি মণ্ডল
আমতা, হাওড়া

সম্পূর্ণ পাতা