পন্থকে তলব
কারণ, প্রশাসনিক দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই রয়েছে। যদিও রাজ্য প্রশাসনের একাংশ কেন্দ্রের কর্মিবর্গ ও প্রশাসন দফতরের (ডিএপিটি) একটি নির্দেশিকা উল্লেখ করে দাবি করছেন, কমিশনের নির্দেশিত কোনও পদক্ষেপ সংক্রান্ত রিপোর্ট ছ’মাসের মধ্যে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। অথচ কমিশনের তরফে ৫ অগস্ট প্রথম চিঠির পরে ৮ অগস্ট ফের চিঠি দিয়ে রাজ্যকে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল কোন যুক্তিতে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
সূত্রের দাবি, এ দিনই জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী ফের জানিয়েছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে নোটিস পাঠিয়ে আধিকারিকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। নির্ভয়ে তাঁরা কাজ করুন। আধিকারিকদের পাশেই আছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি, ভুল কাজ ঠেকাতে ডেটা-এন্ট্রি-অপারেটরদের কাজেও নজর রাখার বার্তা তিনি দিয়েছেন বলে খবর। সূত্রের দাবি, তিনি আরও জানান এ রাজ্য বিজেপি শাসিত নয়। ফলে যা ইচ্ছে তাই করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ভোটের সময়ে কার্যকর থাকে। ফলে, তার আগে রাজ্যের
নিজস্ব উন্নয়নের কাজ যেন বাধাপ্রাপ্ত না হয়। প্রসঙ্গত, অভিযুক্ত ডেটা-এন্ট্রি-অপারেটর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের ‘ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড’ ব্যবহার করে ভোটার আবেদন অনুমোদন দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই এক্তিয়ার তাঁর নেই। তাতে অসাধু ইঙ্গিতও
পাওয়া গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রের দাবি। তবে মুখ্যসচিবকে ডেকে পাঠানোর দিনেই মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তাকে অর্থবহ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।
প্রসঙ্গত, ৫ অগস্ট কমিশন প্রথম শাস্তি-বার্তা দেওয়ার পরেই একটি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তেমন কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। বরং দেওয়া হবে
সর্বোচ্চ সুরক্ষা।