Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 16th Jan 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
  • page-13.html
    Page 13
  • page-14.html
    Page 14
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 8
Friday, 16 Jan, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

মুখ বিজয়নই, কঠিন যুদ্ধে ‘ছাড়ে’র ভাবনা সিপিএমে

সন্দীপন চক্রবর্তী

সরকার রয়েছে দক্ষিণের একটিই রাজ্যে। পাশের রাজ্যে তারা শাসক জোটের শরিক। আর পশ্চিমবঙ্গে শূন্যের গেরো কাটানোর লড়াই! একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের নীতিগত কৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসছে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটি। শীতের মরসুমে রাজধানী দিল্লির বাইরে অন্যত্র কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক বসে। এ বার সেই আসর বসছে কেরলের রাজধানী তিরুঅনন্তপুরমে।

কেরলে সম্প্রতি পঞ্চায়েত ও পুরভোটে ধাক্কা খেয়েছে সিপিএমের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ। স্থানীয় ওই নির্বাচনের ফলের নিরিখে দেখলে শাসক ফ্রন্ট এলডিএফ সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছে। মোট ১৪০ আসনের বিধানসভায় তারা এগিয়ে রয়েছে ৬৪টিতে। পঞ্চায়েত ও পুরভোটে সার্বিক ভাবে প্রধান শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। আর লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় ভোট কমলেও তিরুঅনন্তপুরমের পুর-নিগম প্রথম বার জিতেছে বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ। এমতাবস্থায় টানা তৃতীয় বারের জন্য বাম সরকার ফেরানোর লক্ষ্যে দলের পুরনো সিদ্ধান্তে কিছু রদবদল করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে সিপিএম সূত্রের খবর।

টানা দু’বার বা তার বেশি যাঁরা বিধায়ক রয়েছেন, তাঁদের আর টিকিট দেওয়া হবে না বলে ২০২১ সালে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সিপিএম। সেই নীতি মেনে সে বার কেরলে সিপিএমের বেশ কিছু প্রথম সারির নেতা-বিধায়ক ভোটে লড়েননি। সূত্রের খবর, কঠিন লড়াইয়ে এ বার আবার পুরনো কিছু  মুখকে ভোটের ময়দানে ফিরিয়ে আনা হতে পারে। পরপর দু’বার মুখ্যমন্ত্রী থাকা পিনারাই বিজয়নকে সামনে রেখেই ফের লড়াইয়ের নামা হবে এবং কান্নুরের ধর্মোডোম কেন্দ্র থেকেই তাঁকে আবার প্রার্থী করা হবে। বিজয়নে আস্থা রেখে নির্বাচনী ময়দানে নামার সিদ্ধান্তে আনুষ্ঠানিক সিলমোহর পড়তে পারে আজ, শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে।

দলের রাজ্য সম্পাদক হয়ে যাওয়ায় পলিটব্যুরোর সদস্য এম ভি গোবিন্দন এ বার আর ভোটে লড়বেন না। এম ভি জয়রাজন, ই পি জয়রাজনের মতো বর্ষীয়ান নেতাদের ফের ভোটের যুদ্ধে নামানো হতে পারে। বর্তমান মন্ত্রিসভার বেশ কয়েক জন সদস্যও আবার টিকিট পেতে পারেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সদস্য, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী টনমাস আইজ়্যাক এবং প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজাকেও (টানা দু’বারের বেশি বিধায়ক থাকার মেয়াদ পেরিয়েছেন) প্রার্থী করার পক্ষে মত রয়েছে দলের অন্দরে। সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্যের কথায়, ‘‘যেখানে দলের শক্ত ঘাঁটি, সেখানে নতুন মুখ এনে পরীক্ষা করতে অসুবিধা নেই। যে আসনে তুলনায় কঠিন লড়াই, সেখানে আগের নীতিতে কিছু ছাড় দেওয়া হতে পারে।’’

কেরলে বাম ও কংগ্রেসের সম্মুখ সমর। তবে পশ্চিমবঙ্গ-সহ অন্যত্র কংগ্রেস সম্পর্কে দলের অবস্থান নিয়ে কথা হতে পারে কেন্দ্রীয় কমিটিতে।

সম্পূর্ণ পাতা