ওড়িশা থেকে আসার পথে লুট ইনসুলিন
নিজস্ব সংবাদদাতা
ওড়িশা থেকে কলকাতায় আসছিল ইনসুলিন। মাঝপথে ওই ওষুধের অনেকটাই উধাও হয়ে যায়! সড়কপথে আসার সময়ে ওই ওষুধ কী ভাবে লুট হল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। খোয়া যাওয়া ওই ইনসুলিনের ভায়ালের নির্দিষ্ট ব্যাচ নম্বর উল্লেখ করে সমস্ত রাজ্যকে সতর্ক করল স্বাস্থ্য মন্ত্রক।
কেন্দ্রের দাবি, ওই ইনসুলিন ঘুরপথে ফের যে কোনও রাজ্যের বাজারে ঢুকতে পারে। ঠিক মতো সংরক্ষিত না হলে সেটির ব্যবহার রোগীর পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। সম্প্রতি ‘সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজ়েশন’ (সিডিএসসিও) সমস্ত রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলকে চিঠি ও নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। অন্য দিকে, মহারাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে ওড়িশা পুলিশ। গত অগস্টেও একই ভাবে মহারাষ্ট্র থেকে কলকাতায় আসার পথে একটি বিদেশি সংস্থার ছ’টি ব্যাচের কয়েক হাজার ইনসুলিনের ভায়াল ভর্তি গোটা কন্টেনার উধাও হয়েছিল।
স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর, দিনকয়েক আগে ওড়িশার জগমোহনপুর থেকে কলকাতায় আসছিল ইনসুলিন। তখন কেওনঝড় রোডের উপরে ওই চুরির ঘটনা ঘটে বলেই সিডিএসসিও-র কাছে দাবি করেছে প্রস্তুতকারী সংস্থা। ওই সংস্থা এ-ও জানিয়েছে,ওই ইনসুলিন ২-৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। না-হলে গুণগত মান ঠিক না থাকার আশঙ্কা বেশি। তখন সেটি ব্যবহার করলে রোগীদের বড়সড় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
সিডিএসসিও-র নির্দেশিকায় সাধারণ মানুষ, চিকিৎসকদেরও সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ঠিক জায়গা থেকে বিল-সহ ইনসুলিন কিনতে হবে। ইনসুলিন ব্যবহারের পরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে কী করতে হবে, তা রোগীকে জানাতে হবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। খোয়া যাওয়া ইনসুলিন ঘুরপথে পাইকারি বা খুচরো বাজারে আসছে কিনা, তা জানতে নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলকে।