Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 18th Mar 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 6
Wednesday, 18 Mar, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

তর্কের পর উঠল আট সাংসদের সাসপেনশন

নিজস্ব সংবাদদাতা

নয়াদিল্লি, ১৭ মার্চ: আট সাংসদের সাসপেনশন তুলে নেওয়ার প্রস্তাবের আলোচনাতেও বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়লেন শাসক ও বিরোধী দলের সাংসদেরা। তবে লোকসভায় ধ্বনিভোটে পাশ হয়েছে প্রস্তাবটি।

গত কালই ঠিক হয়েছিল লোকসভায় অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে সাসপেন্ড সাত কংগ্রেস, এক সিপিএম সাংসদের সাসপেনশন তুলে নিতে প্রস্তাব আনবে শাসক শিবির। শাসক ও বিরোধীপক্ষ ভবিষ্যতে সংসদীয় আচরণের প্রশ্নে লক্ষ্মণরেখা পার হবে না, সেই আশ্বাস দেওয়ায় আজ প্রশ্নোত্তর পর্বের পর সাসপেনশন তুলে নেওয়ার প্রস্তাব আনেন সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। প্রস্তাবের আলোচনায় কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক কে সুরেশ সাসপেন্ড হওয়া সাংসদদের অনিচ্ছাকৃত অসংসদীয় আচরণের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন। যা সমর্থন করেন বিরোধী এসপি সাংসদ
ধর্মেন্দ্র যাদব, এনসিপি-র (শরদ) সুপ্রিয়া সুলে।

তবে ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘সাসপেনশন তুলে নেওয়ার প্রস্তাবকে সমর্থন করছি। ..কিন্তু শাসক দলের লোকেরাই সংসদে ছড়ি ঘোরান। আমি এবং আমার দল এমন কাজ করিনি যাতে সংসদের মর্যাদা নষ্ট হয়। কিন্তু শাসক দলের সমান ভাবে এগিয়ে আসার প্রয়োজন। তা না হলে সংসদ চলতে পারে না।’’ এর পরেই লোকসভায় বিজেপির সবচেয়ে সক্রিয় সাংসদ নিশিকান্ত দুবেকে আক্রমণ শানিয়ে ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘নিশিকান্ত দুবের নিজের ব্যবহার ঠিক করা উচিত।’’ সভা জুড়ে হট্টগোল শুরু হয়। নিশিকান্ত বলেন, ‘‘১৭ বছরের সংসদীয় জীবনে আমি লক্ষ্মণরেখা পার করিনি। বিরোধীদের উচিত ক্ষমা চাওয়া, তা না হলে সংসদ চলতে দেওয়া হবে না।’’ এ নিয়ে লোকসভা জুড়ে হট্টগোল শুরু হওয়ায় সব পক্ষকে শান্ত করেন স্পিকার
ওম বিড়লা।

এনসিপি নেত্রী সুপ্রিয়া বলেন, ‘‘লক্ষ্মণরেখা মেনে চলার চেষ্টা অবশ্যই করব। কিন্তু শাসক দল মনে হয় না এর জন্য প্রস্তুত। কারণ, চার জন মন্ত্রী আমার বিরুদ্ধে সরব।’’ সুপ্রিয়ার বক্তব্যকে স্বাগত জানান জেডিইউ দলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিংহ। তিনি বলেন, ‘‘উভয় পক্ষের লক্ষ্মণরেখা মেনে চলা উচিত। এক হাতে তালি বাজে না।’’ সংসদীয় মন্ত্রী রিজিজু বলেন, ‘‘এ নিয়ে গত কালই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। আরও কিছু ব্যাখ্যার দরকার হলে সরকার আলোচনায় প্রস্তুত।’’

কংগ্রেসের কে সুরেশ তখন রিজিজুকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘‘গত কাল স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ হয়নি। মকর দ্বারের সামনেও ধর্না হয়নি। আমরা সহযোগিতায় প্রস্তুত। তবে শাসক ও বিরোধীকে যেন সমান সুযোগ দেওয়া হয়।’’ এর পরেই ধ্বনি ভোটে ওই প্রস্তাব পাশ হয়। সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়, এমন কাজের তালিকা আজ বুলেটিনে প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান স্পিকার ওম বিড়লা। যেমন বিরোধীরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখানো, কাগজ ছোড়া, টেবিলে ওঠার মতো কোনও কাজ করতে পারবেন না। তেমনই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি পোস্টার দেখিয়ে বিক্ষোভ দেখানো যাবে না।

সম্পূর্ণ পাতা