Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 24th Jun 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 4
Wednesday, 24 Jun, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

জতুগৃহ

কল্যাণ রুদ্রের ‘এর পরে প্রত্যাবর্তন অসম্ভব’ প্রবন্ধটি মানব সভ্যতাকে এক কঠিন সত্যের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। প্রতি বছরের মতো এই বছরও আনন্দে, উৎসাহে ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়েছে। কিছু গাছ লাগানো হয়েছে। যত গাছ লাগানো হয়েছে, তার চেয়ে ছবি তোলা হয়েছে অনেক বেশি। ভিআইপি-দের ছবি সংবাদমাধ্যমে, আর সাধারণের ছবি সমাজমাধ্যমে জায়গা করেছে। এর কিছু দিন পর জলের অভাবে অথবা সুরক্ষার অভাবে চারাগাছ মরে যাবে অথবা গরু-ছাগলে খেয়ে নেবে। সে খবর আর কেউ রাখবে না।

প্লাস্টিক ব্যবহারের অপকারিতা, ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহার নিয়ে আগামী দিনেও ধারালো ভাষায় বক্তৃতা হবে, পোস্টার নিয়ে পদযাত্রা হবে। কিন্তু তার মধ্যেও রাস্তায় কল থেকে জল পড়ে যাচ্ছে দেখে মানুষ পাশ কাটিয়ে চলে যাবে! বাজারে গিয়ে দোকানিকে বলবে প্লাস্টিকের ব্যাগে বাজার দিতে। এই তো আমরা! সবচেয়ে বড় কথা, পৃথিবীর পৃষ্ঠতলে, নীচে ও উপরে যে অনন্ত সম্পদরাশি ছিল, তাকে নষ্ট করেছে সবচেয়ে উন্নত জীব ‘মানুষ’! অন্য কোনও জীব এ জন্য বিন্দুমাত্র দায়ী নয়। প্রাচীন যুগেও বন কেটে বসত হয়েছিল প্রয়োজনের তাগিদে। কিন্তু তার পর? মানুষের লোভ, অবিমৃশ্যকারিতায় আজ বনভূমি উজাড়, ভূগর্ভস্থ জলে টান পড়েছে, দূষণ ছড়িয়ে পড়েছে সমুদ্র, পাহাড়, নদী, খাল, বিল, জলাভূমি, বাতাস, গাছপালা— সর্বত্র। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য হিমবাহ গলছে, সমুদ্রের জল বাড়ছে। অচিরেই কত দেশ তলিয়ে যাবে সমুদ্র গর্ভে। উত্তরকাশী, সিকিম, কেদারনাথের ঘটনা মনে করিয়ে দেয় আমাদের অদূরদর্শিতার কথা। জীববৈচিত্রের অবক্ষয় খাদ্যশৃঙ্খল নষ্ট করছে‌। খাদ্যের অভাবে অনেক প্রাণী, কীটপতঙ্গ হারিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর বুক থেকে। কৃত্রিম আলোর জন্য জোনাকি, মথ, নিশাচর প্রাণীর আবাসস্থল ও প্রজনন ব্যাহত। কত ফুল তার ফোটার সময় পাল্টে ফেলতে বাধ্য হচ্ছে। গাছপালা ও ফুল হারাচ্ছে তার আকার, রং ও গন্ধ।

প্রকৃতি মানুষকে তার সম্পদ উজাড় করে দিয়েছিল। তার অপব্যবহারে ক্ষুব্ধ প্রকৃতি খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদির মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা দিচ্ছে। আমরা এখন জতুগৃহে অবস্থান করছি। এখনও একটু সচেতন হলে আগুন দেরিতে ধরবে। সেই চেষ্টা দেখা যাবে কি?

গৌতম পতি
তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর

তাপপ্রবাহ

উত্তর ভারতের বুন্দেলখণ্ডের তাপমাত্রা এই গ্রীষ্মে ছুঁয়েছিল ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে (উত্তাপের বিষচক্র, ২৬-৫)। দিনের বেলা সেখানে বাইরে বেরোনো বারণ। সন্ধের পর এলইডি আলোয় চাষবাস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বাইরের কাজ সারতে হয়েছে। ভূগর্ভস্থ জলস্তর ক্রমশ নেমে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের বিশেষজ্ঞেরা এই বিষম প্রতিকূলতার জন্য দায়ী করেছেন পশ্চিমের থর মরুভূমি থেকে ধেয়ে-আসা শুষ্ক উত্তপ্ত বাতাস আর বুন্দেলখণ্ডের রুক্ষ পাথুরে ভূমিভাগকে। এ ছাড়া দেশের অন্য অংশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অরণ্য ও সবুজের বিনাশ তো বহুল প্রচলিত মূর্খামির তালিকাতেই পড়ে। বিশেষজ্ঞরা আঙুল তুলেছেন আর এক খলনায়কের দিকে। নদীগর্ভ থেকে অবৈজ্ঞানিক পন্থায় দেদার বালি উত্তোলন, যা কিনা জলজ বাস্তুতন্ত্রের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলেছে। নড়ে বসতে হল এইখানে এসে। আমাদের এই রাজ্যের এক বিরাট ভূমিভাগ শেষোক্ত অভিশাপের ফল। এমনিতে উত্তর ভারত বা পশ্চিমের রাজ্যগুলির তুলনায় দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা নীচের দিকে থাকলেও, আগামী দিনে তা একই থাকবে না, ধরে নিতেই হবে। তাপমাত্রা ততখানি না উঠলেও উচ্চ আর্দ্রতার কারণে ভোগান্তিতে দেশের উত্তর বা পশ্চিমের অঞ্চলগুলি থেকে দক্ষিণবঙ্গ খুব একটা পিছিয়ে নেই এখনই।

শুধুই দহন, ধ্বংস, যাপনের ক্লেশ আর পালিয়ে যাওয়ার আহ্বান এই সব অঞ্চলে। শুধু উত্তর ভারতের বুন্দেলখণ্ড কেন, তালিকায় এখনই প্রবেশ না করলেও কাছাকাছি এগোচ্ছে মহারাষ্ট্রের একাংশ, সমগ্র রাজস্থানও। ইট-কাঠ-কংক্রিটে মুড়ে রাজধানী দিল্লি যেন এক তপ্ত চুল্লি। যা পূর্বাভাস, তাতে ২০২৬ আবার ‘সুপার এল নিনিয়ো’র বছর। দেড়শো বছর আগে নাকি এমন মারাত্মক গরম পড়েছিল। চাষের প্রয়োজনীয় বৃষ্টির জন্য হাহাকার ছড়িয়েছিল। আশঙ্কা যদি সত্য হয়, প্রাণঘাতী হয়ে উঠবে এই বছরও। এখন থেকেই তার লক্ষণ ফুটে উঠছে। গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলিতে নানা অর্থনৈতিক ক্রিয়াকাণ্ড গরমে প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মারটা যে দিক থেকেই আসুক, তৃতীয় বিশ্বের মানুষের পিঠে এসেই বিদ্ধ হয় বেশির ভাগ। মুক্তি কোথায়?

বিশ্বনাথ পাকড়াশি
শ্রীরামপুর, হুগলি

দূষণ

কিছু দিন ধরে টালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে রাসবিহারী যাতায়াতের সময় চোখে পড়ছে বিভিন্ন জায়গায় জলসত্রের আয়োজন। অনেক জায়গায় একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ শরবত খাওয়ানোর ব্যবস্থাও করছেন। খুবই ভাল উদ্যোগ। সমস্যা হল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যবহার হচ্ছে প্লাস্টিকের গেলাস। জল বা শরবত খাওয়ার পর সেই গেলাসই ছুড়ে ফেলা হচ্ছে রাস্তায়। কিছু জায়গায় গেলাস ফেলার ড্রাম পাশে থাকলেও চলন্ত গাড়ির যাত্রী বা ড্রাইভাররা তার তোয়াক্কা করছেন না। প্লাস্টিক দূষণ এমনিতেই শহরে ক্রমবর্ধমান। তার পরেও যে কারও টনক নড়ছে না, সেটাই ভয়ের।

মাধুরী বিশ্বাস
কলকাতা-৩৩

সম্পূর্ণ পাতা