Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 24th Jun 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 4
Wednesday, 24 Jun, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

সচেতন দায়িত্ব

‘এর পরে প্রত্যাবর্তন অসম্ভব’ (১-৬) শীর্ষক কল্যাণ রুদ্রের প্রবন্ধ প্রসঙ্গে বলি, বিশ্ব উষ্ণায়নের পরিণতি অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও এখন মনে হচ্ছে এটা বিশ্ব পরিবেশনীতি তথা রাজনীতির নিয়তি। বিজ্ঞানমনস্কতায় নিয়তিবাদের স্থান নেই। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এই বিশ্ব প্রকৃতিতে মানুষের জন্ম অনেক পরে। বিশ্ব প্রকৃতির এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯৫ শতাংশ অজানা অন্ধকার। এই শক্তিবাদে বৈজ্ঞানিক নিয়ম ছিল, এখনও আছে, যা ক্রমবিবর্তিত হয়ে চলেছে। মানবজাতির মৃত্যুও হয়তো হবে বিশ্ব প্রকৃতির ধ্বংসের আগে। অর্থাৎ, অনেক কিছুই মানবজাতির হাতে নেই। এই বাস্তবতাই হয়তো একটা বিশ্বাস জোগাচ্ছে, যখন ‘প্রত্যাবর্তন অসম্ভব’, তখন আগামী প্রজন্মের ভাবনা কার্যকর করায় তেমন লাভ নেই।

কিন্তু প্রবন্ধকারের সঙ্গে সহমত, মানবতা ও সভ্যতার দিকে তাকিয়ে বর্তমান প্রজন্মকে যথাসাধ্য কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন করতেই হবে। প্রবন্ধকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। এটাও সবার জানা, বিশ্ব পরিবেশনীতি দেশগুলি একযোগে মানতে নারাজ, সহমত দূর অস্ত্। চেষ্টা চলছে। স্বার্থপর উন্নত দেশ, বিশেষ করে আমেরিকা তাদের মতো করে ভাবছে। অথচ বিশ্ব উষ্ণায়ন বেড়েই চলেছে, যা উন্নত দেশগুলিতেও প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। এ অবস্থায় প্রবন্ধকারের পরামর্শগুলিকে কয়েক ভাগে ভাগ করতে হবে। প্রথমত, কোন কোন কাজ ভারত একাই করতে পারবে এবং যা খুব ব্যয় ও সময়সাপেক্ষ নয়। দ্বিতীয়ত, ভারতীয় উপমহাদেশে অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশ মিলে এই ভাবনায় কী ভাবে যথাসাধ্য ঐক্য আনা যায়। তখন দ্বিপাক্ষিক, বহুপাক্ষিক ইত্যাদি চুক্তির মাধ্যমে কাজ করা যায়। তৃতীয়ত, কোন কোন কাজ ব্যয়বহুল ও গবেষণাসাপেক্ষ। এগুলি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় কার্যকর করা সম্ভব। আসলে বিশ্বপরিবেশ সচেতনতা আজ প্রায় সব দেশের আছে। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানদের রাজনৈতিক চেতনায় তা অগ্রাধিকার পাচ্ছে না। কিন্তু ছোট ছোট করে স্বল্পমেয়াদে অনেক কিছু সম্ভব। মানবসম্পদের দায়িত্ব বিশ্ব উষ্ণায়ন হ্রাস করা। মানুষকেই সমবেত স্বার্থত্যাগের মাধ্যমে এই পরিবেশ সচেতনতা বাড়িয়ে যেতে হবে। প্রত্যাবর্তন যদি অসম্ভবও হয়, তা হলেও পরিবর্তনের মাধ্যমে রাষ্ট্রচেতনায় জাগরণ ঘটাতে হবে।

শুভ্রাংশুকুমার রায়
চন্দননগর, হুগলি

সম্পূর্ণ পাতা