রাম মন্দির: সিটের
অন্তর্বর্তী রিপোর্ট
}} অযোধ্যার রাম মন্দিরে অর্থ ও সামগ্রী (প্রণামী) তছরুপের অভিযোগের তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) মঙ্গলবার তাদের অন্তর্বর্তিকালীন রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। তিন সদস্যের সিট ১৫০ পাতার রিপোর্টটি জমা দিয়েছে রাজ্যের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র সচিব (স্বরাষ্ট্র) সঞ্জয় প্রসাদের কাছে। এক সপ্তাহের মধ্যে সিট এই তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেবে। রাজ্য প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর গোচরে আনা হবে।’’ সূত্রের খবর, অন্তর্বর্তিকালীন রিপোর্টে রাম মন্দির ট্রাস্টের কয়েক জন পদাধিকারীর গাফিলতির বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও, ট্রাস্টের কয়েক জন পদাধিকারীর আত্মীয়দের ট্রাস্টে নিয়োগ নিয়েও রিপোর্টে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্মার্ট মিটার নিয়ে
}} ‘সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিরোধী’ বলে দাবি তুলে স্মার্ট মিটার বসানোর প্রতিবাদে সারা রাজ্যে মঙ্গলবার প্রতিবাদ দিবস পালন করল বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সংগঠন ‘অ্যাবেকা’। তাদের দাবি, এ দিন গোটা রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে ওই মিটার বসানোর বিজ্ঞপ্তি এবং মডেল স্মার্ট মিটারে আগুন লাগানো হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাসের অভিযোগ, দেশের বিদ্যুৎ আইনে কোথাও বাধ্যতামূলক ভাবে এটা বসানোর কথা নেই। তার পরেও রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যা একেবারেই
যুক্তিসম্মত নয়। তিনি বলেন, ‘‘স্মার্ট মিটার গ্রাহকের থেকে বেশি টাকা আদায়ের পন্থা।
আমরা এর বিরুদ্ধে রাজ্য জুড়ে
গণ-আন্দোলনে নামব।’’
বৃষ্টি নিয়ে উদ্বেগ
}} ‘এল নিনিয়ো’-র প্রভাবে দেরিতে বর্ষা আসার ফলে খরিফ চাষ মার খেতে পারে। আগেভাগেই বিপদের মোকাবিলায় দেশের ১২টি রাজ্যে ৩১৫টি জেলাকে চিহ্নিত করে মাঠে নামছে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রক। এই ১২টি রাজ্যের তালিকায় মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, কর্নাটক, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, তেলঙ্গানা, অন্ধ্র থাকলেও এখনও তাতে পশ্চিমবঙ্গ নেই। পরিস্থিতির পর্যালোচনা করে কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান জানিয়েছেন, ১১১টি জেলাকে সবথেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ এই জেলাগুলির ২৫ শতাংশ বা তার কম জমিতে সেচের সুবিধা রয়েছে। শিবরাজ বলেন, এখনও পর্যন্ত স্বাভাবিকের তুলনায় ৪৩ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। ফলে খরিফের বীজবপনে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ডাল, তেল, মিলেটের মতো বিকল্প ফসল চাষে জোর দেওয়া হবে।