অব্যবস্থায় মহা-বিপর্যয় কলকাতার চোরবাগানে
নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতার দুর্গাপুজোর ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেছে কি না, স্মরণে নেই ইতিহাসবিদদেরও। বছর দশেক আগে দেশপ্রিয় পার্কের সব থেকে বড় দুর্গা দর্শন ঘিরে বিপদের শঙ্কায় কড়া হাতে পুজো বন্ধই করে দেয় লালবাজার। পালাবদলের পশ্চিমবঙ্গে উত্তর কলকাতায় চোরবাগানের অপরিসর গলিতে জনতার মর্মান্তিক ভাবে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় তাই আঙুল উঠছে পুলিশ, উদ্যোক্তাদের দিকে।
বৃষ্টির মধ্যে চোরবাগানের পুজো মণ্ডপে ভিড়ের চাপে ধাক্কাধাক্কি, পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। পদপিষ্ট হয়ে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে খবর। সূত্রের খবর, বেশ কয়েক জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। জখম হয়েছেন বহু দর্শনার্থী। লালবাজার জানিয়েছে, প্রায় ৩৫ জন জখমকে উদ্ধার করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম প্রমুখ। এই ঘটনার জেরে দীর্ঘ র্যাম্পে ঢাকা আরও দু’টি পুজো মণ্ডপ উত্তর কলকাতার টালা প্রত্যয়, দক্ষিণের চেতলা অগ্রণীতে ঠাকুর দেখাও বন্ধ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডলে ঘোষণা, অত্যন্ত দুঃখজনক এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের জন্য দু’লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘোষণা করেছেন। চোরবাগানের ঘটনায় শোক প্রকাশ করলেন রাজ্যপাল আর এন রবি।
চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা, দুই-ই নেওয়ার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “ঘটনাস্থলে যে পুলিশ আধিকারিক ছিলেন, তিনি জানিয়েছেন, মাইকে পুজো কমিটির একটি ঘোষণার পরেই মানুষ হুড়োহুড়ি