বোনাস বকেয়া, ধৃত পাঁচ চা বাগানের ম্যানেজার
নিজস্ব প্রতিবেদন
রাজ্য সরকারের নির্ধারিত হারে বোনাস দিতে না পারায় চা বাগানের ম্যানেজারদের ধরপাকড় হল মধ্যরাতেও। শুক্রবার সন্ধ্যেয় তিনটি চা বাগানের ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। মধ্যরাতে ধরা হল আরও দুই বাগানের ম্যানেজারকে। এ দিকে, বোনাস না দিতে পেরে আলিপুরদুয়ারের ভার্নাবাড়ি চা বাগান কর্তৃপক্ষ বাগান ছেড়েছেন। পুজোয় বন্ধ হয়ে গেল চা বাগানটি। বোনাস নিয়ে এ দিন মালবাজারে বৈঠক করলেন মন্ত্রী।
শুক্রবার গভীর রাতে তুলসীপাড়া ও বীরপাড়া চা বাগানের ম্যানেজারকে গ্রেফতার করা হয়। ধুমচিপাড়া, গেরগেন্ডা এবং হান্টাপাড়া বাগানের ম্যানেজারদের শুক্রবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। পুলিশ জানায়, ধৃতদের নাম দীনেশ চৌবে, সোমনাথ ঘোষ, নবীন গুরুং, সুখেনকিশোর দাস ও মানস সরকার। শনিবার ধৃতদের চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ
দিয়েছে আদালত।
অন্য দিকে, কোনও বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বাগান ছাড়লেন আলিপুরদুয়ারের ভার্নাবাড়ি চা বাগান কর্তৃপক্ষ। এ দিন সকালে হাসিমারা ফাঁড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান ওই বাগানের শ্রমিকেরা। নর্থ বেঙ্গল টি প্লান্টেশন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বিকি চিক বরাইক বলেন, ‘‘কর্তৃপক্ষ বাগানে ফিরে শ্রমিকদের বকেয়া না মেটালে আমরা থানায় অভিযোগ করবো।’’ এ দিন বিকেলে সামসিং চা বাগানের বোনাস নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, বিশাল লামা, মনোজ ওরাওঁ, সাংসদ মনোজ টিগ্গা, নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেঙরা এবং মালবাজারের বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা। বৈঠকের পরে মন্ত্রী এবং বিধায়কেরা সামসিং চা বাগানে পৌঁছন। নেতা-মন্ত্রীদের দাবি, সামসিং বাগানে শ্রমিকদের নগদে ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ দিকে বাগরাকোট চা বাগানের শ্রমিকেরা শনিবার সকালে মালবাজার থানায় এসে বাগান পরিচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দিয়েছেন।