জঙ্গল-তল্লাশি চালাচ্ছে কপ্টার
সাবির ইবন ইউসুফ l শ্রীনগর
২৬ এপ্রিল: পহেলগামে হামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আদিল হুসেন ঠোকর ও আসিফ শেখের বাড়ি ধ্বংস হয়েছিল গত কালই। আজ কাশ্মীরে চলতে থাকা জঙ্গি-দমন অভিযানের সময়ে ধ্বংস হল আরও সাত জঙ্গির বাড়ি। বাড়িগুলিতে আইইডি পেতে রাখা হয়েছিল বলে দাবি বাহিনীর। অন্য দিকে পর্যটকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে এক টাট্টুচালককে।
পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যুর পরে কার্যত নজিরবিহীন সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে কাশ্মীরে। গত কাল এই অভিযানের সময়েই বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়েছিল আদিল ও আসিফের বাড়ি। আসিফ শেখের বোনের দাবি, তাঁদের বাবা-মা ও এক বোনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তাঁকেও প্রতিবেশীর বাড়িতে চলে যেতে বলে ছাদে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ফলে সব কিছু ভেঙে পড়ে। পুলিশের এক কর্তাও জানান, আগে জঙ্গিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হত। এখন সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।
তবে এ দিন সরকারি ভাবে পুলিশ দাবি করেছে, শোপিয়ানে শাহিদ আহমেদ কুট্টে, আদনান শফি, কুলগামে জ়াহিদ আহমেদ, পুলওয়ামায় আহসান উল হক, এহসান আহমেদ শেখ ও হারিস আহমেদ, কুপওয়ারার কালারুসে ফারুক আহমেদ তাড়ওয়ার বাড়িতে পাতা ছিল আইইডি। সেখানে তল্লাশির সময়ে আইইডি-র খোঁজ পেয়ে বম্ব স্কোয়াডকে ডাকা হয়। ওই বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার সময়েই বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়িগুলি। এ দিন পহেলগামে হামলায় যুক্ত আরও তিন সন্দেহভাজন জঙ্গির হাতে আঁকা ছবি প্রকাশ করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে হাশিম মুসা ওরফে সুলেমান এবং আলি ভাই ওরফে তালহা ভাই পাকিস্তানি বলে জানিয়েছে তারা। ওই তিন জনের সম্পর্কে তথ্য দিলে ২০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাহিনীর এক অফিসারের কথায়, ‘‘বৈসরন উপত্যকা ছাড়াও