নিহতদের পরিবারকে
সাহায্য রাজ্য সরকারের
নিজস্ব সংবাদদাতা
কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় নিহত পর্যটকদের পরিবার এবং জঙ্গিদমন অভিযানে নিহত সেনা জওয়ান ঝন্টু শেখের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেবে রাজ্য সরকার। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নিহত পর্যটকদের পরিবারপিছু ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। বয়স্ক মা-বাবা থাকলে স্ত্রী ও মা-বাবার মধ্যে ক্ষতিপূরণের টাকা সমান ভাগে ভাগ হবে। মাসিক পারিবারিক পেনশনের পাশাপাশি নিহত জওযানের স্ত্রীকে চাকরির আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রয়োজনে তাঁর দুই সন্তানের পড়াশোনার ভারও নেবে নবান্ন।
আগামী মাসের গোড়ায় মুর্শিদাবাদে গিয়ে সেখানকার গোলমালে নিহতদের পরিবারকেও ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদে শমসেরগঞ্জের জাফরাবাদে গোলমালে নিহত হরগোবিন্দ হাস ও চন্দন দাসের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের হাতে ১০ লক্ষ ১ হাজার টাকা তুলে গিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী এ দিন জানান, কাশ্মীরের পহেলগামে নিহত পর্যটক বিতান অধিকারীর বৃদ্ধ মা-বাবা আছেন। তাঁরা ক্ষতিপূরণের পাঁচ লক্ষ টাকা পাবেন। বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা পাবেন বিতানের স্ত্রী। বিতানের বাবার নামে একটি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করে দিচ্ছে রাজ্য। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মাধ্যমে মাসে ১০ হাজার টাকা পেনশনও দেওয়া হবে তাঁকে। একই সাহায্য পাবে নদিয়ার তেহট্টের নিহত
জওয়ানের পরিবারও।
মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “মুর্শিদাবাদের তিনটি পরিবারকেও ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আমি গিয়ে দেব।” প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন মে মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদে গোলমাল হওয়া এলাকাগুলিতে যাবেন তিনি। সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল, গোলমালে যাঁদের ঘর-বাড়ি নষ্ট হয়েছে, আবাস প্রকল্পে তাঁদের বাড়ি তৈরি করে দেবে রাজ্য। দোকানের ক্ষতির সমীক্ষাও করতে বলা হয়েছিল জেলা প্রশাসনকে। সেই কাজ হয়ে গিয়েছে বলেই খবর।