আর জি কর নিয়ে পথে নামায় কি কাজে খেসারত
শান্তনু ঘোষ
স্নাতকোত্তর স্তরে উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছেন। কাউন্সেলিংও শেষ। তার পরেও সিনিয়র রেসিডেন্ট (এসআর) পদে যোগ দিতে পারছেন না ৮৭১ জন চিকিৎসক-পড়ুয়া। সূত্রের খবর, তাঁদের কাজে যোগ দেওয়ার ছাড়পত্র আটকে রয়েছে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তরে। কী কারণে আটকে রয়েছে তা স্বাস্থ্য দফতরও তাঁদের কাছে স্পষ্ট করছে না বলেই অভিযোগ ওই চিকিৎসক-পড়ুয়াদের। যদিও খোদ স্বাস্থ্য প্রশাসনের অন্দরের খবর, ওই চিকিৎসক-পড়ুয়াদের সিংহভাগই আর জি কর আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই শীর্ষ স্তরে এমন অনীহা।
এহেন পরিস্থিতিতে চিকিৎসক মহলের একাংশের প্রশ্ন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেও কি ধীরে হলেও ‘প্রতিহিংসা’র পথেই হাঁটছে রাজ্য প্রশাসন? স্বাস্থ্য দফতর অবশ্য অভিযোগ অমূলক বলেই
দাবি করেছে।
আর জি কর আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা অনিকেত মাহাতোর কথায়, ‘‘অনুমোদন কেন মিলছে না তা জানতে স্বাস্থ্য ভবনে গেলেও স্পষ্ট কোনও উত্তর মিলছে না। ৮৭১ জনের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন। সেই কারণেই প্রশাসনের এমন মনোভাব বলে আমরা মনে করছি।’’
গত ডিসেম্বরে স্নাতকোত্তর স্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়েছিল। ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। কাউন্সেলিংয়ের জন্য ৬ মার্চ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। ২৫ মার্চ সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে ওই ৮৭১ জনের মধ্যে কে কোন কলেজে ‘এসআর’ পদে যোগ দেবেন