‘আতঙ্কেই মারা গেল ছেলেটা’
নিজস্ব প্রতিবেদন
গোয়ায় কাজ করতেন। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের আদিবাসী পরিযায়ী শ্রমিক সুভাষ হেমব্রম (৩০)-কে বৃহস্পতিবার ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর শুনানিতে হাজির হতে বলা হয়। ১১ জানুয়ারি গোয়া থেকে ট্রেন ধরেন তিনি। কিন্তু ট্রেন অনেক দেরিতে চলছিল। সোমবার ভুবনেশ্বরে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকাকালীন পাশের গাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ মেলে। বৃহস্পতিবার বাড়িতে দেহ পৌঁছতে সুভাষের বাবা পারাভ হেমব্রমের দাবি, ‘‘আতঙ্কেই ছেলেটা মারা গেল!’’
সুভাষ-সহ এসআইআর-আতঙ্কে এ দিন রাজ্যে চারটি মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যের ভোটার তালিকায় শুনানি-পর্বে হয়রানির প্রতিবাদে ধুন্ধুমার হয়েছে উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। হয়েছে বিএলও-বিক্ষোভ। একাধিক জায়গায় বিএলও-দের আটকে বিক্ষোভও হয়েছে। চলছে রাজনৈতিক তরজা।
কলকাতার পূর্ব যাদবপুরে মুকুন্দপুর এলাকার অহল্যানগরে এ দিন সকালে অশোক দাস (৪৭) নামে এক বিএলও-র দেহ মেলে বাড়ির শৌচাগারে ঝুলন্ত অবস্থায়। তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বহড়ু হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। শুনানি থেকে বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে এক মহিলার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। পরিবারের দাবি, সাবেরা বিবি (৪০) বুধবার