Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 6th Mar 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদিয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 5
Friday, 06 Mar, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

তালিকায় ‘জালিয়াতি’, মীমাংসার আগে ভোট নয়, দাবি বিমানদের

নিজস্ব সংবাদদাতা

খাতায়-কলমে যা নিয়ম রাখা হয়েছে, কার্যক্ষেত্রে তার অনেক কিছুই মানা হচ্ছে না। ‘জালিয়াতি’ চলছে ভোটার তালিকার নামে! নির্বাচন কমিশনের কাছে রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ‘গুরুতর অনিয়মে’র কয়েক দফা অভিযোগ জানিয়ে এলেন বাম নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, পূর্ণাঙ্গ ও বৈধ ভোটার তালিকা ছাড়া রাজ্যে বিধাসভা নির্বাচন ঘোষণা করা যাবে না।

কমিশনের রাজ্য দফতরের বাইরে বুধবার রাতভর অবস্থান চালিয়েছেন বাম নেতা-কর্মীরা। ধর্না-অবস্থানের নেতৃত্বে ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, বিবাদী বাগের রাস্তাতেই রাত কাটিয়েছেন মীনাক্ষী মু‌খোপাধ্যায়-সহ বিভিন্ন বাম দলের নেতা ও কর্মীরা। তার পরে বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বাম প্রতিনিধিদলকে আলোচনার সময় দিয়েছিলেন। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য শ্রীদীপ ভট্টাচার্য, সিপিআইয়ের কলকাতা জেলা সম্পাদক প্রবীর দেব-সহ বামফ্রন্ট ও অন্য দলগুলির প্রতিনিধিরা সিইও-র কাছে দাবি জানিয়েছেন, ভোটার তালিকা অসম্পূর্ণ রেখে বিধানসভা নির্বাচন করা যাবে না। পরে সমাবেশে বিমান বলেছেন, ‘‘৬০ লক্ষ ভোটারকে এই অনিশ্চয়তার অন্ধকারে রেখে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করা কেবল অনৈতিক নয়, অসাংবিধানিক।’’ সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারী মুর্শিদাবাদের মোস্তারি বানু, নদিয়ার নিহত বালিকা তামান্নার মা সাবিনাও কমিশনের বাইরে ধর্নায় যোগ দিয়েছিলেন। দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে গিয়ে রাজ্যে এআইসিসি-র পর্যবেক্ষক গুলাম আহমেদ মীর ও প্রদেশ কং‌গ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারেরাও দাবি জানিয়েছেন, ‘বিবেচনা’র প্রক্রিয়া শেষের পরে ভোট-প্রক্রিয়া শুরু করা হোক। 

সিইও-র দফতরে বাম দলগুলির তরফে এ দিন বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ ও দাবি জানানো হয়েছে। প্রথমত, ‘বিচারাধীন বা বিবেচনাধীন’ বলে ধূসর জায়গা গণতন্ত্রে থাকতে পারে না। কে ভোটার আর কে নয়, তার ফয়সালা আগে করতে হবে। বামেদের বক্তব্য, প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষকে ‘বিবেচনাধীন’ বলে ঝুলিয়ে রেখে ভোট করা মানে তাঁদের মতামতের অধিকার কেড়ে নেওয়া এবং সেই ভোটে জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন হতে পারে না। সিইও দফতর সূত্রে বিমানদের জানানো হয়েছে, ওই ৬০ লক্ষের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৬ লক্ষের ফয়সালা হয়েছে।

তাঁদের আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম কাটা গিয়েছে, তাঁদের কারণ দেখানো হয়নি। অথচ বাদ পড়ার কারণ উল্লেখ না-করলে অনলাইনে ফর্ম ৬ গ্রহণ করা হচ্ছে না। জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (ডিইও) কোনও সিদ্ধান্তের ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ভোটার সিইও-র কাছে আবেদন করতে পারেন। কিন্তু ‘রিজেকশন লেটার’ বা ‘অর্ডার শিট’ গোপন রাখা হচ্ছে, যাতে সেই ভোটার ফের আবেদন করতে বা আদালতে যেতে না পারেন। বামেদের প্রশ্ন, কেন্দ্রের শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই কি এমন অদ্ভুত কাণ্ড?

বাম নেতারা দাবি করেছেন, কমিশন যেমন কেন্দ্রের শাসক দলের ‘স্তাবকতা’ করছে, তেমনই রাজ্যের আধিকারিকদের একাংশ রাজ্যের শাসক দলের হয়ে পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন বলে বামেদের অভিযোগ। বিমান বলেছেন, কমিশন অবিলম্বে ‘বিচারাধীন’ ভোটারদের জট না কাটালে এবং দোষী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে রাজ্য জুড়ে বৃহত্তর গণ-আন্দোলন হবে।

বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে এ দিন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রসেরে প্রতিনিধিদের  কমিশনের কাছে লিখিত দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ফর্ম ৬ গ্রহণের হার অত্যন্ত কম। কিন্তু ফর্ম ৭-এর মাধ্যমে নাম বাদ দেওয়ার হার বেশি। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে এই দু’ধরনের ফর্ম ফের যাচাই হোক। 

সম্পূর্ণ পাতা