রক্ষা ইরানের দ্বিতীয় যুদ্ধজাহাজের
জনকে উদ্ধার করে। অন্তত ৮৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। অনেকে নিখোঁজ। তবে এতক্ষণ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় তাঁদের বেঁচে থাকার আশা ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আজ ইরানের দ্বিতীয় একটি জাহাজ শ্রীলঙ্কার কাছে উদ্ধারের জন্য বার্তা পাঠায়। জানায়, তাদের একটি ইঞ্জিনে যান্ত্রিক বিঘ্ন রয়েছে। তা ছাড়া বাড়ছে ফের আক্রমণের আশঙ্কাও। এর পরেই শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিশানায়েকে তাঁর সরকারের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। তাঁর নির্দেশেই নৌসেনা ও বায়ুসেনা সক্রিয় হয়ে ইরানের জাহাজে থাকা প্রত্যেককে উদ্ধার করে। এক বার্তায় দিশানায়েকে বলেছেন, ‘‘এই সংঘর্ষে আমরা কোনও পক্ষ নিচ্ছি না। নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেই জীবন বাঁচানোর দায়িত্ব পালন করছি। এই ধরনের যুদ্ধে কারও প্রাণহানি হওয়া উচিত নয়। প্রত্যেকটি জীবনই সমান দামি।’’
আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, উপসাগরীয় যুদ্ধের বিরূপ প্রভাব অর্থনীতির উপরে পড়লেও, এর ভৌগোলিক অবস্থান অন্তত ভারতের থেকে অনেকটা দূরে ছিল। এ বার তা-ও হাজির হয়েছে দোরগোড়ায়। এর তাৎপর্য গভীর। আবার হরমুজ় প্রণালীতেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। যেখানে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৭০০ জাহাজ দাঁড়িয়ে। তার মধ্যে ভারতের ৩৬টি। কোনও রকম বিপত্তি ঘটলে জ্বালানির বাজারে তার প্রভাব পড়বে।
এ দিকে, যুদ্ধের থেকে অনেক দূরে থাকা জাহাজের উপরে আক্রমণ ঘিরে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তাদের বক্তব্য, ভারতীয় নৌসেনার অতিথি হয়ে এসেছিল জাহাজটি। কোনও রকম সতর্কবার্তা না দিয়েই তার উপরে আমেরিকা হামলা চালিয়েছে। আজ এক্স-এ ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি লিখেছেন, ‘ইরান উপকূলের থেকে ২০০০ মাইল দূরে আমেরিকা বর্বরতা ঘটিয়েছে। ভারত থেকে আমন্ত্রিত জাহাজে ১৩০ জন ছিলেন। কোনও রকম সতর্কবার্তা না দিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় সেটির উপরে হামলা চালিয়েছে তারা। আমার কথা মনে রাখুন। আমেরিকাকে এর জন্য অনুশোচনা করতে হবে’।
সংবাদ সংস্থা