কেন্দ্রের কাছে সাহায্যের আর্জি চাল রফতানিকারীদের
নিজস্ব সংবাদদাতা
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে সঙ্কটে চাল রফতানি। বিশেষত বাসমতী চালের অন্যতম বৃহৎ বাজার যেহেতু ওই অঞ্চলই। এ বার ওই রফতানিকারীদের পাশে দাঁড়াতে কেন্দ্রের কাছে আর্থিক সাহায্যের আর্জি জানাল তাঁদের সংগঠন আইআরইএফ। সুরাহার একাধিক প্রস্তাব দিয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে তারা।
রফতানি বন্ধ হওয়ায় দেশে বাসমতী চালের দাম গত তিন দিনেই কমেছে প্রায় ৭-১০ শতাংশ। রফতানিকারীদের দাবি, এর ফলে বিপুল ক্ষতি হবে। কার্যকরী মূলধন কমায় বাণিজ্য চালানো কঠিন হতে পারে। আইআরইএফ জানাচ্ছে, পশ্চিম এশিয়ায় পণ্য সরবরাহ বিপর্যস্ত। জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ। বহু পণ্যবাহী জাহাজ ফিরে আসছে। ইরানের রুট ছাড়াও অন্য পথে পণ্য পাঠানো আটকাচ্ছে কন্টেনারের অভাবে। জাহাজের ভাড়া ১৫-২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। বেড়েছে যুদ্ধ কবলিত অঞ্চলে পণ্য রফতানির বিমা খরচ।
আইআরইএফ-এর সহ-সভাপতি দেব গর্গ বলেন, ‘‘একসঙ্গে এত সমস্যা যুঝতে হিমশিম খাচ্ছেন রফতানিকারীরা।’’ বিশেষ করে যে সব সুবিধার জন্য আর্জি জানিয়েছে আইআরইএফ তার মধ্যে রয়েছে, বন্দরে জাহাজ আটকে থাকার জন্য জরিমানা এবং পণ্য গুদামে রাখার জন্য অতিরিক্ত খরচ মকুব। মূলত যে সব রফতানি করা পণ্য ফেরত আসছে, সেগুলির জন্য। যে সব জাহাজ মাঝপথে আটকে বা পথ বদলেছে, সেগুলি যাতে ভারতে ফিরতে পারে তার বন্দোবস্ত। অন্যতম একটি আবেদন, রফতানি সংক্রান্ত সমস্যাগুলিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা দুর্ঘটনা হিসাবে সরকারি ঘোষণা। তাতে আমদানিকারীদের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গের জন্য জরিমানা দেওয়া থেকে রেহাই পেতে পারেন ভারতীয় রফতানিকারীরা।
সংবাদ সংস্থা