Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 18th Mar 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 8
Wednesday, 18 Mar, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

নিজেদের বাড়ির ঠিকানায় আট ‘অচেনা’ নাম! ধন্দে পরিবার

চিরন্তন রায়চৌধুরী

ঠিকানা নিজেদের বাড়ির। অথচ, তার পাশে থাকা নামগুলি
সবই অচেনা! চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় এমনই আট জনের নামের পাশে নিজেদের বাড়ির ঠিকানা
দেখে মাথায় হাত পড়েছে হাওড়ার বাকসাড়ার একটি পরিবারের।

দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত, ৫৭ নম্বর বাকসাড়া রোডে তিন পুরুষেরও বেশি
সময় ধরে বসবাস ঘোষ পরিবারের। বাড়িতে সব মিলিয়ে এখন ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য। কিন্তু, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের
পরে তাঁরা পড়েছেন ধন্দে। কারণ, ওই তালিকা অনুযায়ী, ৫৭ নম্বর বাড়িতে ঘোষ পরিবারের সদস্যেরা ছাড়াও থাকেন আরও আট জন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁদের নাম ওই বাড়ির ঠিকানায় জুড়েছে, এলাকায় সেই সব নামের কাউকেই স্থানীয় বাসিন্দারা চেনেন না।

এর পরে শুরু হয় অন্য দুর্ভোগ। ঘোষ পরিবারের ঘনিষ্ঠ
সূত্রের খবর, কী ভাবে ওই আট জনের নাম এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকায় এল, তা নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত
বিএলও-র কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, প্রথমে পরিবারটিকে জানানো হয়, এ সব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জেরে ঘটে থাকতে পারে। নামগুলি ঘোষ বাড়ির ঠিকানা থেকে সরানোর আর্জি
জানানো হলে বলা হয়, ওই আট জন বাড়ির ভাড়াটে হতে পারেন। তা মানতে চাননি পরিবারের
কেউ। শেষে তাঁদের বলা হয়, ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। না-হলে একটি রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শও দেওয়া হয়।

যদিও এ কথা মানতে চাননি দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলও বাপি দাস। মঙ্গলবার তিনি বলেন,
‘‘কী ভাবে ওই নামগুলি বাকসাড়া রোডের ঠিকানায় জুড়ল, তা বলতে পারব না। তবে যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি, তাঁরা বৈধ ভোটার।
তাঁরা হাওড়ার বকুলতলার বাসিন্দা। অনলাইনে গোলযোগের জেরে এমন ঘটতে পারে। আমি
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম।’’

ওই এলাকায় নির্বাচন কমিশনের
ইআরও সেলের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘এ নিয়ে সরাসরি আমার কাছে এখনও কোনও
অভিযোগ আসেনি। তবে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ওই পরিবারের লোকজনের সঙ্গেও কথা
বলা হবে।’’

এ দিকে, অন্য উপায় না পেয়ে সোমবার ঘোষ পরিবারের
তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচনী দফতরে ইমেল পাঠিয়ে অভিযোগ জানানো হয়।
ওই ইমেলে ২০২৬ সালের চূড়ান্ত এসআইআর তালিকার পাশাপাশি যুক্ত করে দেওয়া
হয়েছে ২০০২ সালের তালিকাও।

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায়
৫৭ নম্বর বাকসাড়া রোডের ঠিকানায় সুমিতা ঘোষ, কৃষ্ণেন্দু ঘোষ,
আরতি ঘোষ, প্রণতি ঘোষ, জ্যোৎস্না ঘোষ, অয়ন ঘোষ, কৌশিক ঘোষ,
সৌমাল্য ঘোষ, রিয়া ঘোষ ও প্রিয়াঙ্কা ঘোষের নাম রয়েছে। এর পাশাপাশি, একই ঠিকানায় মহম্মদ
জামাল, সাবিনা বেগম, মহম্মদ খলিল, জ়িনাত জাহান, নাসিমা খাতুন, নাজমা খাতুন, রেহানা বেগম,
মোহম্মদ খালিক নামে আরও আট জনের নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রেহানার নাম রয়েছে ‘বিবেচনাধীন’।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘোষ পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘‘ওই আট জন কারা, কোথায়
থাকেন— আমরা তো কিছুই জানি না। এমনকি, পাড়ার লোকেরাও ওঁদের কাউকে চেনেন না।’’ অভিযোগ, তালিকায় গরমিল নিয়ে ভোটের
আগে কাউকে কিছু না জানানোর কথা ঘোষ পরিবারের লোকেদের বলা হয়েছিল। তাই
কিছুটা উদ্বেগে রয়েছেন পরিবারের সকলে।

কী করে ধরা পড়ল বিষয়টি?

নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো অভিযোগে জানানো হয়েছে, পরিবারের এক
সদস্যের কাছে শুনানির নোটিস এসেছিল। তিনি প্রয়োজনীয় সব নথি দাখিল করেছিলেন। চূড়ান্ত
তালিকা প্রকাশের পরে সেটি খুঁটিয়ে দেখার সময়েই ওই সদস্যের নজরে পড়ে,
তাঁদের বাড়ির ঠিকানায় আরও আট জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি ও মহিলার নাম রয়েছে। পরিবারের
ঘনিষ্ঠ এক জনের মন্তব্য, ‘‘সবাই নিজেদের নাম তালিকায় আছে কিনা, সেটুকুই শুধু দেখছেন।
ভাগ্যিস ওই তালিকা খুঁটিয়ে দেখা হয়েছিল। তাই একই
ঠিকানায় অচেনা লোকেদের নাম পাওয়া গেল।’’

প্রশ্ন উঠেছে, ভোটার তালিকা সংশোধনে কমিশনের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করার পরেও এমন ঘটে কী ভাবে? সেই উত্তরই খুঁজছে ঘোষ পরিবার।

সম্পূর্ণ পাতা