জোড়া গোলে জবাব রোনাল্ডোর
একটা ম্যাচ দেখে কখনও কিংবদন্তিদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যে কত বড় ভুল, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ফের প্রমাণ করল। জোড়া গোল করেই সমালোচনার জবাব দিল সি আর সেভেন।
মঙ্গলবার বিশ্বকাপের ‘কে’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে উজ়বেকিস্তানের বিরুদ্ধে পাঁচ মিনিটে বাঁ-প্রান্ত দিয়ে উঠে নুনো মেন্দেস বল দিয়েছিল পেনাল্টি বক্সে। রোনাল্ডো পা-ছোঁয়ালেই গোল হত। কিন্তু ও সময় মতো বলের কাছে পৌঁছতেই পারেনি। তবে গোল না হওয়ার জন্য রোনাল্ডোর অভিব্যক্তিই বুঝিয়ে দিচ্ছিল, গোল করতে না পারার যন্ত্রণা হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে চলেছে।
এক জন স্ট্রাইকার সব চেয়ে বেশি তৃপ্তি পায় গোল করেই। কিন্তু ডিআর কঙ্গোর বিরুদ্ধে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে রোনাল্ডো গোল করা তো দূরের কথা, একেবারেই ছন্দে ছিল না। চলতি বিশ্বকাপে আলজিরিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করেছিল লিয়োনেল মেসি। সোমবার অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে শুধু জোড়া গোলই করেনি এল এম টেন, মিরোস্লাভ ক্লোজ়েকে টপকে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নজিরও গড়েছে। চলতি বিশ্বকাপে দু’ম্যাচে মেসির পাঁচটি গোল। সেখানে রোনাল্ডোকে ক্রমাগত সমালোচনার তিরে বিদ্ধ হতে হচ্ছে। ডিআর কঙ্গো ম্যাচের পরে ইংল্যান্ডের এক সংবাদপত্র শিরোনাম করে, ‘টেন ফুটবলার অ্যান্ড ওয়ান স্ট্যাচু’। অর্থাৎ পর্তুগাল যেন দশ জনে খেলছিল! রোনাল্ডো মাঠে মূর্তির মতো দাঁড়িয়েছিল। কেউ কেউ বলছেন, ৪১ বছরের রোনাল্ডো এখন শুধুই অতীতের ছায়া মাত্র। তাকে এখনই অবসর নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন। থিয়েরি অঁরির সুরে অনেকে আবার রোনাল্ডোকে স্বার্থপরও বলতে শুরু করেছেন। ও নাকি দলের কথা ভাবে না। শুধুই নিজের জন্য খেলে। এখানেই শেষ