Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 24th Jun 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 1
Wednesday, 24 Jun, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

নিরামিষ মিড-ডে মিলের হয়ে সওয়াল মন্ত্রীরও

নিজস্ব সংবাদদাতা

মিড-ডে মিলে ডিম বাদ দিয়ে সয়াবিন, রাজমা চালু করার রীতি কি ক্রমশ গোটা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়বে? রাজ্য বাজেটে ইসকনের মাধ্যমে কলকাতার পুরএলাকার স্কুলে স্কুলে ‘নিরামিষ’ মিড-ডে মিল চালু করার ঘোষণায় স্কুল শিক্ষকদের মধ্যে এই আশঙ্কা
দানা বাঁধছে।

মিড-ডে মিলে আমিষ-নিরামিষ বিতর্কের আবহে মঙ্গলবার রাজ্যের স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মণও স্পষ্টতই নিরামিষের হয়ে সওয়াল করেছেন। মন্ত্রী বলেন, ‘‘পড়ুয়াদের জন্যই ডিমই একমাত্র পুষ্টি নয়। পৃথিবীর একটা বড় অংশে মানুষ নিরামিষ খাচ্ছেন। তাঁদের কিন্তু পুষ্টিতে ঘাটতি থাকছে না। কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত স্কুলগুলিতে ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল চালানো একটা পাইলট বা পরীক্ষামূলক প্রজেক্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদি দেখা যায় এটি সফল হল, তা হলে আরও বিভিন্ন জায়গায়
এর প্রয়োগ করা যায় কি না সেটা ভবিষ্যতে দেখা হবে।’’

দীপকের এই মন্তব্যে শিক্ষকদের একাংশ কিন্তু মনে করছেন, এই ভাবে ধীরে ধীরে পড়ুয়াদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে দিতে চাইছে এই সরকার। এক শিক্ষকের মতে, ‘‘প্রাথমিকের চার-পাঁচ বছরের খুদে পড়ুয়াদের উপরে রাজমা, সয়াবিনের মতো খাবার চাপানো হলে, তাদের খাদ্যাভ্যাসে প্রভাব পড়বে। বাড়ির খাবার, স্কুলের খাবার আলাদা হলেও ছোট ছেলেমেয়েদের সমস্যা হতে পারে।” ভোটের আগে বিজেপি ক্ষমতায় এলে নিরামিষ চাপানো হবে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তখন তা খণ্ডন করে নিজেদের ‘মাছপ্রীতি’ জাহির করতে তৎপর হন বিজেপির নেতামন্ত্রীরা। দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই আমিষভোজী কার্যত সব থেকে বেশি। এই অবস্থায় দেশের খাদ্য বৈচিত্র্যের সংস্কৃতি হটিয়ে বিজেপি সরকার এ রাজ্যেও ‘নিরামিষতন্ত্র’ চালু করছে বলে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন।

দীপক অবশ্য জানান, তিনি নিজেও এক জন স্কুল-শিক্ষক। মিড-ডে মিলের জন্য বাজার থেকে রান্নার তদারকির দায়িত্বে শিক্ষকেরা থাকলে নানা অসুবিধা হতে পারে। এখান থেকে বেরিয়ে এসে বিষয়টা নিয়ে ভাবা যেতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তা ছাড়া প্রশ্ন উঠছে, ইসকনের মাধ্যমে কলকাতার পুর-এলাকার স্কুলের মিড-ডে মিলে নিরামিষ চালু হলে কি জেলার স্কুলগুলিতে ডিম-বিশিষ্ট অন্য রকম মেনু চালু হবে? শিক্ষা দফতরের মিড-ডে মিল বিভাগের এক কর্তা অবশ্য জানিয়েছেন, এখনই মেনু পরিবর্তনের কোনও নির্দেশ তাঁদের কাছে আসেনি। স্কুলের পাঠ্যক্রমে কী পরিবর্তন আসছে সে প্রসঙ্গেও
দীপক এ দিন বলেন, ‘‘পাঠ্যক্রম যুগোপযোগী করে তৈরি করা হয়। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই তা করা হবে।’’

সম্পূর্ণ পাতা