Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 24th Jun 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 8
Wednesday, 24 Jun, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

সপ্তাহে ছ’দিন কর্মীদের

কথা শুনবেন মমতা

নিজস্ব সংবাদদাতা

নয়াদিল্লি, ২৩ জুন: ‘অপারেশন লোটাস’-এর ধাক্কায় দৃশ্যতই বিপন্ন আদি তৃণমূল। দলে দলে ছেড়ে যাচ্ছেন সাংসদ, বিধায়ক, পুরপ্রতিনিধিরা। এক মাস ধরে এই মহানাটকের শেষে পরিস্থিতি কিছুটা থিতিয়ে আসায়, এ বার অন্তর্তদন্ত শুরু হয়েছে আদি তৃণমূলে। দলের শীর্ষ সূত্রে জানানো হচ্ছে, দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছিল ২০২১ সালের পর থেকেই। এ বার তা সরাসরি সপ্তাহে ছ’দিন (রবিবার বাদে) চালু করা হচ্ছে কালীঘাটে মমতার বাসভবন থেকে। বিকেল তিনটে থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দলের কর্মী, নেতা এবং সম্ভব হলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মতামত শুনবেন মমতা। তাঁর সঙ্গে অভিষেকও থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের সদর কার্যালয়েও থাকবেন শীর্ষ পর্যায়ের কোনও না কোনও নেতা। সেখানেও বিবিধ স্তরের কর্মীদের জন্য দরজা খোলা থাকবে। জানা গিয়েছে, এই দু’টি জায়গা
ছাড়া অন্য কোনও অফিস বা কার্যালয় থেকে তৃণমূলের রাজনৈতিক সংযোগ করা হবে না।

তৃণমূল সূত্রের বক্তব্য, ২০১৯ সালের আগে দলীয় সংগঠনের মডেলে ফিরতে হবে। যেখানে সংগঠনই ছিল শেষ কথা। ২০১৯-এর লোকসভার পরে ৫০ শতাংশ দায়িত্ব থাকে দলের কাছে, বাকি ৫০ শতাংশ একটি বাইরের এজেন্সি (আইপ্যাক)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ২০২১-এর পর সেই এজেন্সির দখলদারি বেড়ে যায় প্রায় ৭০ শতাংশে এবং ২০২৪-এর পরে আরও বেশি। সেই সংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধ করতে চাইছেন মমতা। আজ দলের রাজ্যসভার নেতা তথা নব নিযুক্ত যুগ্ম সম্পাদক ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, “আমরা জানি, নির্বাচনে চুরি করে আমাদের হারানো হয়েছে। কিন্তু সেটা জানলেও, সমস্ত বড় সংগঠনই হারের পর অন্তর্তদন্ত করে। নিজেদের শক্তির দিকে নজর দিয়ে ভুলগুলি থেকে শেখার চেষ্টা করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেত্রীর ছত্রচ্ছায়ায় থাকাটা আমাদের কাজে সবচেয়ে বড় সম্পদ। আমরা আবার উঠে দাঁড়াব।”

পরাজয়ের পরে নতুন কমিটি গঠন করেছিল তৃণমূল। কিন্তু সেই কমিটিতে পদে থাকা সায়নী ঘোষ এবং মালা রায় সম্পর্কে শোনা যায়, তাঁরা বিদ্রোহী তালিকায় সই করেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁদের কমিটি থেকে সরিয়ে দেন মমতা। তৃণমূল সূত্রের খবর, আপাতত কাউকে কোনও পদ দেওয়ার ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে না। ধীরে সুস্থে, পরিস্থিতি দেখে, কারা আদি তৃণমূলে থাকলেন, তার নিশ্চয়তা পাওয়ার পরে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে কিছু সাংগঠনিক রদবদল করে অভিষেক ছাড়াও আরও দুই সাংসদকে যৌথ ভাবে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। তৃণমূল সূত্রের বক্তব্য, বার্তা স্পষ্ট। অভিষেককে বুঝিয়ে দেওয়া, সঙ্গে যে দু’জন থাকছেন, তাঁরাও
দলের স্বার্থই এবং নেতৃত্বের চাহিদা মেনে কাজ করবেন।

সম্পূর্ণ পাতা