রাজনৈতিক তরজায় তপ্ত ফ্রান্স-স্পেন
সুমিত ঘোষ l আটলান্টা
১৩ জুলাই: আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড মানেই যত রাজ্যের তিক্ততা, ফুটবলের বাইরে গিয়ে দু’দেশের লড়াই, ফকল্যান্ডস যুদ্ধের ছায়া, দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড গোল’ নিয়ে আজও ইংরেজদের ক্ষোভ বর্ষণ? ফ্রান্স বনাম স্পেন দ্বৈরথে সে সব ঝক্কি নেই। শুধুই ফুটবল ম্যাচ? কিলিয়ান এমবাপে বনাম লামিনে
ইয়ামাল, ব্যস?
দাঁড়ান, সম্পূর্ণ ভুল ভেবেছেন। বরং বিশ্বকাপের ধুন্ধুমার দুই সেমিফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড শিঙা ফোঁকাফুঁকি চলতে থাকলে ফ্রান্স-স্পেনও মোটেও পিছিয়ে নেই। স্পেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাহয়ের মন্তব্য নিয়ে তুলকালাম চলছে দু’দেশের মধ্যে। স্পেনের একটি সংবাদপত্রে বিশ্বকাপ নিয়ে কলাম লিখেছেন রাহয়। সেখানে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল নিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘‘এমন একটা ফ্রান্স দলের বিরুদ্ধে আমরা খেলব যে দলে ফরাসিই নেই।’’ তাঁর এই বক্তব্য বর্ণবিদ্বেষমূলক এবং অবিলম্বে তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে দাবি উঠেছে। এমনকি, ফ্রান্সের এক মন্ত্রী বলেছেন, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
১৪ জুলাই মানে আবার ঐতিহাসিক ‘বাস্তিল দিবস’। ফ্রান্সে জাতীয় ছুটির দিন। প্যারিসের বিখ্যাত রাজপথ সঁজ়ে লিজ়েতে সকাল থেকে মিলিটারি প্যারেড চলবে। আইফেল টাওয়ারের সামনে আতশবাজির প্রদর্শনী হবে। ফরাসি জনতা ঠিক করে রেখেছে, দু’ধরনের উৎসব দিয়ে ঐতিহাসিক দিনটাকে সাজাবে। এক দিকে ‘বাস্তিল দিবস’ উদ্যাপন, অন্য দিকে স্পেনকে হারিয়ে ফুটবলের বিজয়োৎসব। সঁজে লিজ়েতে মিলিটারি প্যারেড আর ‘আর্ক ডি ট্রায়ম্ফ’ যা বানানো হয়েছিল ফরাসি সৈনিকদের স্মৃতিসৌধ হিসেবে, সেখানে হবে কিলিয়ান এমবাপেদের জয়ের শোভাযাত্রা।
সেই পরিকল্পনা আরও আগ্রাসী রূপ ধারন করেছে স্পেনের প্রাক্তন