Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 14th Jul 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • সম্পাদকের পাতা
  • রাজ্য
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • সম্পাদকের পাতা
  • রাজ্য
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 1
Tuesday, 14 Jul, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

গুন্ডা না বিরোধী দমন, ফের তর্ক

নিজস্ব সংবাদদাতা

রাজ্যপালের সম্মতির পরে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া মেনে রাজ্যে কার্যকর হল গুন্ডা-দমন আইন। বিধানসভায় বিল পাশের সময় যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, সেই বিতর্ক আরও ইন্ধন পেল আইন চালু হওয়ার দিন, সরকার পক্ষের বক্তব্যে। মন্ত্রীরা যা বলছেন, তা থেকেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে, অভিযোগ বিরোধীদের। ওই আইনের বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মীরা জনস্বার্থ মামলাও দায়ের করেছেন হাই কোর্টে।  

বিধানসভায় সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবার বলেন, “৩৪ বছরের কমিউনিস্ট হার্মাদ আর ১৫ বছরের তৃণমূলী গুন্ডাদের জব্দ করার জন্য এই আইনের খুব প্রয়োজন ছিল।” আর রাজনীতির সঙ্গে গুন্ডামিকে সরাসরি এক বন্ধনীতে বসিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, “বেশ কিছু বছর ধরে রাজ্যবাসী দাদাগিরি, গুন্ডামি দেখে ক্লান্ত, ক্ষুব্ধ। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত লোকজন গুন্ডামি করেছেন। যাঁরা নিজেদের হিরো ভাবছেন, সাবধান হোন! যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়ে গিয়েছে, তাঁরা ছাড় পাবেন না।’’

গুন্ডা-দমন আইনের নেপথ্যে বিজেপি সরকারের আসল উদ্দেশ্য নিয়ে একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূলের কালীঘাটপন্থী, বিদ্রোহী শিবির এবং সিপিএম। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘এই আইনে পুলিশ-প্রশাসনের হাতে একতরফা ক্ষমতা দেওয়া আছে। প্রতিপক্ষ দেখে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই আইনকে যে কাজে লাগানো যেতে পারে, দিলীপবাবুদের বক্তব্যেই ইঙ্গিত। মুখ্যমন্ত্রী এক দিকে বলছেন অপপ্রয়োগ হবে না, আবার সিপিএম-তৃণমূল টেনে আনা হচ্ছে!’’ কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষেরও দাবি, “এই আইনের মধ্য দিয়ে এমন কিছু বিষয় এসেছে, যা আরও বিপজ্জনক। সরকার অপব্যবহার করতে পারে। এটা গুন্ডা দমনের বদলে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে বেশি কাজে লাগবে।’’

একই সুরে সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘দুষ্কৃতী দমনে দেশে আইনের অভাব নেই। নয়া আইন প্রতিবাদের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতে চায়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট যে, এই আইন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হবে। এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।’’

নতুন আইনে রাজ্য অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা পাবে, মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব হবে, এই অভিযোগ করে হাই কোর্টে স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারীর আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সাধারণ নিয়ম মেনেই শুনানি হবে।

সম্পূর্ণ পাতা