Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 14th Jul 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • সম্পাদকের পাতা
  • রাজ্য
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • সম্পাদকের পাতা
  • রাজ্য
  • দেশ/বিদেশ/ব্যবসা
  • কলকাতা
  • খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 9
Tuesday, 14 Jul, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

কলকাতায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসে ১৬টি বরো কমিটি গঠন করল পুর প্রশাসন

দেবাশিস ঘড়াই

কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত ওয়ার্ডগুলির পুনর্বিন্যাসের কাজ তৃণমূল স্তরে নিখুঁত ভাবে সম্পন্ন করতে ১৬টি বরোর জন্য ১৬টি পৃথক ‘বরো পুনর্বিন্যাস কমিটি’ গঠন করল পুর প্রশাসন। রাজ্য নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতরের নির্দেশিকার ভিত্তিতে এই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ করছে পুরসভা। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে, বর্তমান ১৪৪টি ওয়ার্ড ভেঙে ২০০টি ওয়ার্ড তৈরি করা হবে। পুরসভার প্রশাসক তথা পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে সোমবার জানান, প্রতি ওয়ার্ড ধরে আজ, মঙ্গলবার থেকেই ‘ফিল্ড ভিজিট’ শুরু হবে। পুরসভা সূত্রের খবর, এখন কোনও ওয়ার্ডে ৮০ হাজার, আবার কোনও ওয়ার্ডে ২০ হাজার মানুষের বাস। পুর কমিশনার জানান, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস এমন ভাবে করা হবে, যাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে গড়ে ১৬-১৮ হাজার মানুষ থাকেন।

প্রশাসন সূত্রের খবর, নবগঠিত বরো কমিটিগুলি মূলত সরেজমিনে, অর্থাৎ ‘ফিল্ড লেভেল’ সমীক্ষা করে প্রস্তাবিত ওয়ার্ডগুলির সীমানা যাচাই করবে এবং নতুন মানচিত্র তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি তৈরি করা হয়েছে। এ বার তাদের কাজের সুবিধার্থে এই বরো কমিটি তৈরি হল। প্রতিটি বরো কমিটিতে এক জন করে পুরসভার সিভিল দফতরের এগ্‌জিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বা সমতুল পদমর্যাদার আধিকারিকদের করা হয়েছে নোডাল অফিসার। রাজস্ব বিভাগের অ্যাসেসর-কালেক্টর ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকেরা এই কমিটির সদস্য হিসাবে কাজ করবেন।

পুর আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, বরো কমিটিগুলির উপরে মূলত চারটি নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, প্রস্তাবিত ওয়ার্ডগুলির সীমানার বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই করতে তারা সমীক্ষা করবে। দ্বিতীয়ত, বর্তমান ও প্রস্তাবিত ওয়ার্ডগুলির সীমানা এবং আয়তন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও একত্রিত করবেন কমিটির সদস্যেরা। তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সংশোধিত মানচিত্র তৈরি করতে হবে এবং চতুর্থত, এই মানচিত্র ও যাবতীয় নথি কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দিতে হবে। পুর প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, ‘‘বরো স্তরের সমীক্ষার যাবতীয় নথির সংরক্ষণ বা ‘কাস্টডিয়ান’ হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন নোডাল অফিসারেরা।’’

এই বিরাট কর্মযজ্ঞের তদারকিতে ১৯৮০ সালের কলকাতা পুর আইনের ৬০১ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে ১০ সদস্যের কেন্দ্রীয় পুনর্বিন্যাস কমিটিও গড়া হয়েছে। বিশেষ পুর কমিশনারকে এই কমিটির চেয়ারম্যান এবং চিফ ভ্যালুয়ার ও সার্ভেয়ারকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান কাজ হল, বরো কমিটিগুলির কাজ সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করতে সমন্বয় বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় রূপরেখা তৈরি করা। প্রয়োজনে বরো কমিটির সদস্যদের জন্য অনলাইনে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করবে তারা। বরো স্তর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বর্তমান ওয়ার্ডগুলির সীমানা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই করে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে এই কেন্দ্রীয় কমিটিকে তাদের প্রস্তাবিত রূপরেখা পুর প্রশাসকের কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জমা দিতে হবে।

সীমানা নির্ধারণের এই পরিকাঠামোগত কাজ ত্বরান্বিত করতে সদস্য-সচিবের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে রিপোর্ট সঙ্কলন ও নথিপত্র সংরক্ষণের কাজ চলবে। এই কাজে গতি আনতে পুরসভার পার্সোনেল দফতরের তরফ থেকে সাত জন সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, এক জন ইনস্পেক্টর, এক জন আপার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং এক জন পিওনকে ভ্যালুয়ার ও সার্ভেয়ার দফতরে নিয়োগ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজে যাতে কোথাও ভাটা না পড়ে, সেই লক্ষ্যে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে কাজ শুরু করেছে পুর প্রশাসন। 

সম্পূর্ণ পাতা