হলদিয়া: মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন শনিবারেও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন সরগরম রইল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারকে ঘিরে। শুক্রবার রাতেই গ্রেফতার হন মিলন। ২০০৭ সালের জমি আন্দোলন পর্বে খুন, খুনের চেষ্টা এবং অস্ত্র আইনের চারটি মামলায় অভিযুক্ত করে এ দিন তাঁকে হলদিয়া মহকুমা আদালতে তোলা হয়। ৩ অক্টোবর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ হয়েছে। তবে ভোটে লড়তে বাধা নেই
কংগ্রেস প্রার্থীর।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘‘মিলন জেলে থাকলেও হাজার হাজার মিলন নন্দীগ্রামে প্রচারের ময়দানে থাকবে। লিফলেট বিলি করবে।’’ জাতীয় কংগ্রেসের তরফে কে সি বেণুগোপাল এ দিন সমাজমাধ্যমে জানান, ‘‘নন্দীগ্রামের এ ঘটনা ভারতীয় গণতন্ত্রে কালো অধ্যায়। দেশ জুড়ে প্রতিবাদ হবে।’’
হলদিয়া আদালত চত্বরে এ দিন সকাল থেকে শুভঙ্কর ছাড়াও, এআইসিসির পর্যবেক্ষক প্রকাশ জোশী-সহ দলীয় নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। মিলনকে আদালতে তোলার সময় বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস কর্মীরা। সাংবাদিকদের সামনে মিলন দাবি করেন, ‘‘শাসক দল ভয় পেয়েছে।’’ আর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটিতে মিলনের মতোই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, শ্রদ্ধেয় শিশির অধিকারী-সহ আমরা সবাই যুক্ত ছিলাম। তখন সকলের বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছিল। তা-ও কেন এখন শুধু আমাদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে!’’
জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চারটি মামলা খুন, খুনের চেষ্টা এবং অস্ত্র আইনে। জামিন অযোগ্য ধারায় ওই সব মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। আগাম জামিন না নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে।
মিলনকে এ দিন হলদিয়া মহকুমা আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট তথা বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট কৌস্তভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে হাজির করানো হয়। সরকার পক্ষের আইনজীবী জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে পুরনো মামলায়