রেজিনগর ও কলকাতা: রাজ্যে জোড়া বিধানসভা কেন্দ্রে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে এক কেন্দ্রে এক প্রার্থীর গ্রেফতার এবং এক দলের প্রতীক বদলকে ঘিরে চর্চা চলল। অন্য কেন্দ্র রেজিনগরে মমতা-তৃণমূলের (এমএআইটিসি) প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরীর মত-বদলকে সামনে রেখে দিনভর দেখা গেল ‘নাটক’!
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে চান বলে শনিবার সকালে ঘোষণা করেছিলেন রবিউল। তবে শেষমেশ তিনি তা করেননি। সকালের ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নির্দেশে’ তিনি মত বদলেছেন বলে জানিয়েছেন রবিউল। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের যে তিনটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে, তার মধ্যে এক মাত্র রেজিনগরেই ইভিএম-এ মমতা-তৃণমূলের নতুন প্রতীক (ফুটবল খেলোয়াড়) দেখতে পাওয়া যাবে। এরই মধ্যে যাঁর আসন ছেড়ে যাওয়ার জন্য রেজিনগরে উপনির্বাচন হচ্ছে, সেই আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) নেতা হুমায়ুন কবীরকে সোমবার বহরমপুর থানায় তলব করেছে পুলিশ।
রবিউল এ দিন বেলা ১১টা নাগাদ বলেছেন, “প্রার্থী হওয়ার পরে কর্মীদের উপরে অত্যাচার বেড়েছে। পুলিশ ভয় দেখাচ্ছে। দলের প্রতীকও নতুন। কখন প্রতীক চেনাব মানুষকে? তাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করছি।” বেলা ১২টায় বেলডাঙা থানায় যান এবং সেখান থেকে ফিরে সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল দাবি করেছেন, “দিদি (মমতা), দলের নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করে বার বার লড়াইয়ের ময়দান না-ছাড়ার কথা বলেছেন। লড়াইয়ের ময়দানে আছি। দিদি বলেছেন, তাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। দিদিও রেজিনগরের প্রচারে আসবেন।”
রবিউলের এমন মত-বদল নিয়ে দিনভর নানা পক্ষে তরজা চলেছে। এজেইউপি-র নেতা হুমায়ুনের দাবি, “সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করতে থানার ওসি রবিউলকে ভোটে লড়তে বলেছেন।” তবে রবিউলের পাল্টা দাবি, “আমাদের এক জন নিরীহ কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তা নিয়ে কথা বলতে থানায় গিয়েছিলাম।” ওসি মন্তব্য করেননি। এ দিকে, নদিয়ার শান্তিপুরে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সাংসদ কল্যাণের দাবি, “গত কাল রেজিনগরে পুলিশকে দিয়ে প্রার্থী-সহ অনেককে হুমকি দেওয়া হয়েছে।” তবে কর্মীদের উপরে ‘অত্যাচার’