রাজ্য বাজেটের ঘোষণামাফিক যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইনস্টিটিউট অব এমিনেন্স’ বা বিশিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (আইওই) তকমার জন্য আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ কোটি টাকা দিতে নীতিগত সম্মতি জানিয়েছে রাজ্য। তার পরেও এই মর্যাদা লাভের জন্য বল ঠেলা হল যাদবপুরেরই কোর্টে। বিকাশ ভবনের বক্তব্য, ইউজিসি-র সঙ্গে জোরালো (ভিগোরাসলি) আলাপচারিতায় ‘বিশিষ্ট’ তকমা ছিনিয়ে আনতে হবে।
ইতিমধ্যে চারটি আইআইটি, বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি-সহ ৮টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই মর্যাদা পেয়েছে। এত পরে আলাদা করে যাদবপুরের জন্য কেন্দ্র ফের সদয় হবে কি না, সেই প্রশ্নও আছে। কিন্তু ‘দখলদারি-রাজনীতি’র আবহে যাদবপুরের প্রতি সহৃদয়তা জাহির করতে যাদবপুরকে আইওই করার ঘোষণাটি হাতিয়ার করেছে বিজেপি সরকার। আইওই কাঠামো গড়তে ও কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ে গবেষণার পিএম ঊষা প্রকল্প রূপায়ণে উপাচার্য দু’টি কমিটি গড়েছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসমিতি, ফ্যাকাল্টি কাউন্সিল, বোর্ড অব স্টাডিজ় বা বিভিন্ন অ্যাকাডেমিক কমিটিকে এড়িয়ে এই সিদ্ধান্তে একাধিক অধ্যাপক এবং ডিন প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক কমিটিকে এড়িয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, পঠনপাঠন চর্চার স্কুলকে সিদ্ধান্তের শরিক করা উচিত।
নয়া ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেবজিৎ দত্ত বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে উপাচার্য নানা বিষয়ে কমিটি গঠন করতেই পারেন। যাদবপুরের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বার্থে সবাই মিলে উপযুক্ত সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে।”