এই বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে। ধৃত চার জনের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছে সিআইডি।
সরকারি আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিবের বক্তব্য, “হেফাজতে থাকাকালীন সুমিত রায়ের থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। মোবাইল বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাকি ধৃতদের সঙ্গে সুমিতকে বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অন্য প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও উঠে এসেছে। সব তথ্য এ দিন সিআইডি আদালতে পেশ করেছে।” তবে অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী মৃণাল বলেন, “এটা শুধু সিআইডির দাবি। ওই টাকার সঙ্গে যে জমি-কেলেঙ্কারির কোনও সম্পর্ক নেই তা সুমিত তদন্তকারীদের জানিয়েছেন।”
শালবনির জমি-দুর্নীতি মামলায় শুরুতে গ্রেফতার হন মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা। গত ২ সেপ্টেম্বর মেদিনীপুর সিজেএম আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে সুজয়-সহ চার জনের নাম রয়েছে। দু’জন এখনও অধরা। পরে সুমিত, অমিত ঘোষ, নিত্যানন্দ রায় এবং লক্ষ্মীকান্ত ভুঁইয়াকে ধরেছে সিআইডি।