বৃষ্টি তাল কাটলেও বিকেল
থেকেই মণ্ডপে মানুষের ঢল
নিজস্ব প্রতিবেদন
কোথাও ভিড় জমল সন্ধ্যেতেই। যান নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হল পুলিশকে। কোথাও আবার নেমে এল বৃষ্টি। রাস্তা ছেড়ে শেডের নীচে আশ্রয় নিতে হল দর্শনার্থীদের। কিছুটা খারাপ হল মন। শনিবার পুজোর শুরুতেই এমনই চিত্র উঠে এল উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে।
শিলিগুড়িতে সকালের দিকে সূর্যের তীব্র চোখ রাঙানি থাকলেও বিকেলের পর থেকে আকাশের মুখ ভার ছিল। সন্ধের পরে আচমকাই প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। দর্শনার্থীদের অনেকেই ভিজে মণ্ডপ দর্শন করেন। বৃষ্টির জেরে অশোকনগর, মিলনপল্লি শক্তিগড়ের একাংশ, হাকিমপাড়়া, হায়দারপাড়ায় জল জমে যায়। তবে বৃষ্টি কমতেই রাস্তায় মানুষের ঢল নামে৷ জলপাইগুড়িতে যানজট এড়াতে মোটরবাইক ছাড়া অন্য কোনও গাড়ি, টোটো পুজো মণ্ডপের আশপাশে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি। শহরের ব্যস্ততম কদমতলা, ডিবিসি রোড, মার্চেন্ট রোড-সহ একাধিক রাস্তায় টোটো ও ছোট চার চাকা গাড়ি যাতায়াতে বিকেল থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদ, ইটাহার, করণদিঘি, ইসলামপুর-সহ জেলার বিভিন্ন এলাকার বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। মালদহের জেলা সদর ইংরেজবাজার শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে সন্ধের পর থেকে দর্শনার্থীদের ভিড় জমতে শুরু করে। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর, হিলি এবং বালুরঘাটের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতেও ভিড় হয়। আলিপুরদুয়ার শহরের পাশাপাশি জংশন, ফালাকাটা, কুমারগ্রাম, কালচিনি, বীরপাড়ায় একাধিক মণ্ডপে ভিড় সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুজো উদ্যোক্তা থেকে পুলিশকে। কোচবিহারে শুক্রবার গভীর রাতে শহর সংলগ্ন নদী বাঁধের রাস্তায় দু’টি ছোট গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে চার জন জখম হয়েছেন। এ দিন সন্ধ্যে থেকে শহরে প্রবেশের রাস্তায় ও শহরের ভিতরের গলিতে যান নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।