নিরঞ্জন ঘাটে বাড়তি নজরদারি
বিল্টু সূত্রধর জলপাইগুড়ি
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে জলপাইগুড়িতে দুর্গা প্রতিমার নিরঞ্জন ঘাটে বসানো হল ‘র্যাম্প’, কিংসাহেব ঘাটে র্যাম্পের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। কোনও ঘাটে ক্রেন দিয়ে প্রতিমা নিরঞ্জন করা যাবে না, জানালেন জলপাইগুড়ি বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী।
জলপাইগুড়ি পুরসভার মোট ২৫টি ওয়ার্ড রয়েছে। প্রায় ১৩০টি ছোট বড় দুর্গা পুজো হচ্ছে এ বছর। শহরে প্রতিমা নিরঞ্জনের ঘাট রয়েছে পনেরোটির বেশি। সব ঘাটে র্যাম্পের পরিকাঠামো তৈরি করা সম্ভব হয়নি। বড় প্রতিমাগুলি কিংসাহেব ঘাটে র্যাম্পের মাধ্যমে নিরঞ্জন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে প্রশাসন। ছোট সব প্রতিমাগুলি স্থানীয় ঘাটে নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে নিরঞ্জন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ছোট ঘাটেও ক্রেন ব্যবহার করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
লোহার পরিকাঠামো দিয়ে ‘র্যাম্প’ তৈরি করা হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারদের পরামর্শে। দুর্ঘটনা এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে ঘাটগুলিতে। জেলা পুলিশ, পুরসভা ও জলপাইগুড়ির বিধায়কও র্যাম্পের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। নদীতে কাউকে নামতে দেওয়া হবে না, সেই ব্যবস্থা করতে ঘাটগুলিতে বাঁশের ব্যারিকেড করা হচ্ছে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত পুলিশ ও পুর-কর্মী রাখা হচ্ছে ঘাটগুলিতে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা নদীতে থাকবেন দুর্ঘটনা এড়াতে।
এ দিন বিধায়ক কিংসাহেব ঘাট পরিদর্শন করে বলেন, ‘‘বাড়ির প্রিয়জনকে বিদায় দেওয়ার সময় ক্রেন ব্যবহার করা ঠিক নয়। ঠিক তেমনই মা দুর্গাকে বিদায় দেওয়ার সময় ক্রেন ব্যবহার করা যায় না। এই কারণে এ বছর থেকে সনাতনী নিয়ম মেনে মা দুর্গাকে বিদায় দেওয়া হবে সব ঘাটে। প্রতিমা নিরঞ্জনের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে ঘাট গুলি
পরিদর্শন করছি।’’