আমেরিকায় যাবেন জয়শঙ্কর
নিজস্ব সংবাদদাতা
নয়াদিল্লি, ১৫ জানুয়ারি: আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ফোনালাপের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কিছুটা অগ্রগতির আশা করছে কূটনৈতিক মহল। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, ফেব্রুয়ারিতে জয়শঙ্করের ওয়াশিংটন সফর নিয়ে সক্রিয়তা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ব্যাখ্যা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক ঘোষণার পরে দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যে মেঘ জমেছিল, বিদেশসচিবের সঙ্গে আলোচনায় তা কিছুটা ঠিক হয়ে থাকতে পারে।
কেন্দ্রীয় বাণিজ্যসচিব রাজেশ আগরওয়ালও বলেন, “চড়া শুল্ক হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকায় ভারতীয় পণ্য রফতানি বাড়ছে।” তাঁর কথায়, গত মাসেই বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল এবং আমেরিকার বাণিজ্যসচিব জেমিসন গ্রির ভিডিয়ো মাধ্যমে বৈঠক করেছেন। দু’টি দেশই মনে করছে বাণিজ্য চুক্তি সম্ভব।
কোয়াডের বাকি রাষ্ট্র এবং আমেরিকার শরিক দেশগুলিকে ‘প্যাক্স সিলিকা’ জোটে রাখলেও ভারতকে বাইরেই রেখেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। বিরল খনিজ থেকে সেমিকনডাক্টরের মতো ক্ষেত্রগুলিতে চিন নির্ভরতা কাটাতেই এই জোট। কিন্তু আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সের্জিয়ো গোর ভারতে আসার পর এই জোটে ভারতকে আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন। সূত্রের মতে, ভারতের মাটির নীচে ৮৫.২ লক্ষ টন বিরল ধাতু রয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তিগত এবং পরিকাঠামোগত সমস্যায় ভারত বছরে তিন হাজার টন তুলতে পারে। নতুন জোটে যোগ দিলে চিন নির্ভরতা কাটিয়ে শক্তিশালী দেশগুলির থেকে প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোগত সহায়তা পেলে ভারত লাভবান হবে।