Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 6th Mar 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদিয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 11
Friday, 06 Mar, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

অক্ষরের ‘ক্যাচ’ কপিলের কথা মনে করাচ্ছে সানিকে

নিজস্ব প্রতিবেদন

৫ মার্চ: সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটিং, যশপ্রীত বুমরার বোলিংয়ের পাশাপাশি ভারতের সেমিফাইনাল জয়ের কারণ হিসেবে উঠে আসছে অক্ষর পটেলের ফিল্ডিংও। হ্যারি ব্রুক এবং উইল জ্যাক্‌স তাঁর দুরন্ত ফিল্ডিংয়েরই শিকার। যার মধ্যে উইল জ্যাক্‌সের রিলে ক্যাচটা দেখে মুগ্ধ সুনীল গাওস্কর। 

এ দিন জেকব বেথেল এবং উইল জ্যাক্‌সের জুটি ভারতের হাত থেকে ম্যাচ নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ওই একটা মুহূর্ত ম্যাচের রং বদলে দেয়। উইল জ্যাকসকে যে ভাবে ফিরিয়ে দেন অক্ষর, তা গাওস্করকে মনে করিয়ে দিচ্ছে ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে কপিল দেবের নেওয়া ভিভ রিচার্ডসের সেই ক্যাচকে। ম্যাচের পরে সম্প্রচারকারী চ্যানেলে গাওস্কর বলেন, ‘‘কপিল দেবের ওই ক্যাচও ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছিল, এখানে অক্ষর পটেল যে ভাবে জ্যাকসকে ফেরাল, সেটাও ম্যাচের রং বদলে দিয়েছে।’’

যদিও স্কোর বোর্ডে লেখা থাকবে জ্যাকসের ক্যাচ নিয়েছেন দুবে, কিন্তু কৃতিত্ব পুরোটাই প্রাপ্য অক্ষরের। অনেকটা দৌড়ে বাউন্ডারি লাইনের সামনে শরীর ছুড়ে বলটা তালুবন্দি করেন অক্ষর। কিন্তু বাউন্ডারির বাইরে চলে যাচ্ছেন দেখে বলটা ছুড়ে দেন সামনে দাঁড়ানো দুবের দিকে। গাওস্কর বলছিলেন, ‘‘ওই পরিস্থিতিতে যে ভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে বলটা দুবের দিকে ছুড়ে দিল অক্ষর, তার কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।’’     

অক্ষর নিজে অবশ্য হ্যারি ব্রুকের ক্যাচটাকে সেরা বলছেন। ২৪ মিটার পিছনে দৌড়ে ব্রুকের ক্যাচটা নেন তিনি। ম্যাচের পরে সম্প্রচারকারী চ্যানেলে অক্ষর বলেন, ‘‘আমি ওই ক্যাচটাকেই সেরা বলব। কারণ, আমাকে পিছনে ছুটে ক্যাচটা নিতে হয়েছিল। আর পিছনে ছুটে ক্যাচ নেওয়া সব সময় কঠিন।’’

শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৩০। ওই সময় দুবেকে বল করতে ডাকেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। অক্ষরেরও একটা ওভার বাকি ছিল। আপনাকে বল করতে ডাকলে কী হত? অক্ষরের জবাব, ‘‘আমি বল করতে তৈরি ছিলাম। হাতও ঘোরাচ্ছিলাম। জানতাম, পাঁচটা ছয় খাব না।’’ 

নায়ক: দলকে ফাইনালে তুলে মাঠ ছাড়ছেন অক্ষর-সঞ্জু। পিটিআই

সম্পূর্ণ পাতা