Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 6th Mar 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদিয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 5
Friday, 06 Mar, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

সাড়ে ৬ লক্ষের নিষ্পত্তি, ভোট দেওয়ায় সংশয়

চন্দ্রপ্রভ ভট্টাচার্য

সময়ের সঙ্গে পাঞ্জার লড়াই। হাতে সময় ক্রমশ কমে আসছে, অথচ তথ্যগ্রাহ্য অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা এলডি) আওতায় ভোটারদের যোগ্যতা বিচারের কাজ কবে শেষ হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা বহাল। তাই ওই গোত্রের ভোটারদের মধ্যে কত জন শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন, তা নিয়ে জোর
চর্চা শুরু হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রায় ৬০ লক্ষ এলডি-ভোটারের যোগ্যতা যাচাই করছেন প্রায় পাঁচশো জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিক। আর আগামী ৯-১০ মার্চ রাজ্য সফরে আসছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। এত দিনের রীতি অনুযায়ী, ওই সফরের দিন কয়েকের মধ্যে ভোট ঘোষণা করে নির্বাচন সদন। ফলে মার্চের মাঝামাঝিই ভোট ঘোষণা হওয়ার কথা। তার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় মনোনয়ন পর্ব। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত ১০-১২ দিনের সময় পাওয়া যায়। আবার কমিশনের বিধি অনুযায়ী, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত অতিরিক্ত (সাপ্লিমেন্টারি) তালিকা গ্রাহ্য হয় সাধারণত। চলতি এলডি-ঘটনাগুলিতে অতিরিক্ত তালিকার জন্য পৃথক সময় নির্ধারিত হয়নি। শেষ পর্যন্ত সেই পরিস্থিতির কোনও বদল না হলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগেই ওই তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে। ফলে সব নিষ্পত্তির কাজ শেষ করতে হবে মোটামুটি চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত দেওয়া হিসাবে ছ’লক্ষ এলডি নিষ্পত্তি করা গিয়েছে। ফলে কাজ বাকি বিস্তর।

এই অবস্থায় বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠছে। এক, ওই সময়ের মধ্যে সব এলডি-ভোটারের নিষ্পত্তির কাজ আদৌ শেষ করা যাবে তো! দুই, যদি পুরোটা বা একাংশের নিষ্পত্তি করাও যায়, তা হলে যাঁরা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না, তাঁদের নতুন আবেদনের নিষ্পত্তি সময়ে মধ্যে হবে কী করে? তিন, সে ক্ষেত্রে কি তাঁদের বাদ দিয়েই ভোট হবে! চার, আবার সময়ের মধ্যে যোগ্যদের নিষ্পত্তি না হলে, তাঁরাও কি ভোট দিতে পারবেন!

কমিশনের বিধি অনুযায়ী, যাচাইয়ে কোনও ভোটারের যোগ্যতা প্রমাণিত না হলে সেই নাম তালিকাভুক্ত হবে না। কিন্তু কমিশনের সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে এবং ফর্ম-৬ দাখিল করতেও পারেন তিনি। কমিশনের এক কর্তা বলেন, ‘‘বিবেচনাধীন থাকাকালীন কোনও ভোটার ফর্ম-৬ দিয়ে আবেদন করতে পারবেন না। নিষ্পত্তি হওয়ার পরেই তা করা যাবে।’’

কিন্তু এ সবই সম্ভব স্বাভাবিক সময়ে। এখনকার পরিস্থিতিতে এলডি-ভোটারদের মধ্যে কত জনের নিষ্পত্তি সময়ের মধ্যে হবে, তার স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাচ্ছে না। ধরে নেওয়া হচ্ছে, এই ভোটারদের মধ্যে যাঁরা যোগ্য, তাঁদের নাম দিয়ে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে একেবারে শেষ মুহূর্তেই। সে ক্ষেত্রে যাঁরা সেই তালিকায় থাকবেন না, তাঁরা পরবর্তী আবেদনের জন্য সময় আদৌ পাবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তা হলে এই ভোটে অংশগ্রহণ করার সুযোগও তাঁদের কাছে থাকবে না। কারণ, অনলাইনে ফর্ম-৬ দিয়ে আবেদন করা যায় সঙ্গে সঙ্গেই। কিন্তু সেই আবেদনের যাচাই এবং নিষ্পত্তিতে ন্যূনতম হলেও কয়েক দিন সময় লাগার কথা। আশঙ্কা সেই সময় নিয়েই।

সম্পূর্ণ পাতা