Save কলকাতা as your preferred edition?
Unsave কলকাতা as your preferred edition?
কলকাতা
  • Change Page
  • Change Date
  • Change Edition
  • Back to Online Edition

Anandabazar e-paper 18th Mar 2026

  • Change Edition
  • Change Date
  • Change Page
Choose Edition
  • কলকাতা
  • বর্ধমান
  • আসানসোল দুর্গাপুর
  • পুরুলিয়া বাঁকুড়া
  • বীরভূম
  • নদীয়া
  • মুর্শিদাবাদ
  • উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
  • হাওড়া, হুগলি
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি
  • উত্তরবঙ্গের উত্তরে
  • পশ্চিম মেদিনীপুর-ঝাড়গ্রাম
  • পূর্ব মেদিনীপুর
  • উত্তরবঙ্গের দক্ষিণে
Choose Page
  • page-1.html
    Page 1
  • page-2.html
    Page 2
  • page-3.html
    Page 3
  • page-4.html
    Page 4
  • page-5.html
    Page 5
  • page-6.html
    Page 6
  • page-7.html
    Page 7
  • page-8.html
    Page 8
  • page-9.html
    Page 9
  • page-10.html
    Page 10
  • page-11.html
    Page 11
  • page-12.html
    Page 12
Change Date
Select a date
  • Confirm
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
  • আনন্দ প্লাস
  • খেলা
  • প্রথম পাতা
  • অবকাশ
  • রাজ্য
  • সম্পাদকের পাতা
  • দেশ
  • বিদেশ / ব্যবসা
  • কলকাতা
আনন্দ প্লাস খেলা
Back To
সম্পূর্ণ পাতা
কলকাতা Page 10
Wednesday, 18 Mar, 2026

Share Article

facebook
X
Whatsapp

সিনেমার মতো সৃষ্টিশীল জগতে কে কত ঘণ্টা কাজ করবেন, তা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত

সম্প্রতি কলকাতায় এসে আনন্দ প্লাসের সঙ্গে কথা বললেন দিব্যা দত্ত

প্র: আপনার সাম্প্রতিক সিরিজ় ‘চিরাইয়া’ বৈবাহিক ধর্ষণের মতো বিষয় নিয়ে তৈরি। এই ধরনের ছবি, সিরিজ় আদৌ কতটা সচেতনতা তৈরি করে বলে মনে হয়?

উ: এখানে আমার চরিত্রটার নাম কমলেশ। তার সংসারে ঘটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মেয়েটি। আমাদের দেশে কমলেশের মতো লক্ষ লক্ষ মেয়ে আছে, এটা সত্যি। তাই এই ধরনের সিরিজ় বা ছবি দেখলে তারা বিষয়টার সঙ্গে একাত্মবোধ করবেনই। দৃশ্য-শ্রাব্য মাধ্যমের মতো প্রভাবশালী আর কিছু হয় না। আমাদের চেষ্টা সত্যিটা দেখানো। কী করা উচিত, সেটা বলে দেওয়া নয়। এটা তো সত্যি যে এখনও আমাদের দেশে মেয়েরা নিজেদের হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

প্র: ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে মেয়েদের এখনও আট ঘণ্টা কাজের দাবির জন্য লড়তে হয়...

উ: সিনেমার মতো সৃষ্টিশীল জগতে কে কত ঘণ্টা কাজ করতে স্বচ্ছন্দ, তা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কেউ আট ঘণ্টা চান, আবার বারো ঘণ্টা কাজ করতে চান, এমন মেয়েরাও কিন্তু আছেন। প্রত্যেকের সিদ্ধান্তকেই সম্মান করা উচিত। তাঁরা যাতে সেটা বলতে পারেন, সেই পরিসরটা থাকা উচিত।

প্র: পরিবার বা কাজের জায়গায় মেয়ে হওয়ার জন্য অসুবিধের সম্মুখীন হয়েছেন কখনও?

উ: আমি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করি যে, কোনও দিন মেয়ে হওয়ার জন্য কোনও প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়নি। তার মূল কৃতিত্ব আমার মায়ের। ভাইয়ের চেয়েও বেশি স্বাধীনতা দিয়ে আমাকে মানুষ করেছেন। আমাদের দেশের বেশির ভাগ মেয়ের সিদ্ধান্তে ছোটবেলায় বাবা-মায়ের প্রভাব থাকে, বড় হওয়ার পরে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির। আমার ক্ষেত্রে তা হয়নি। আমি অভিনয় করতে চাই শুনে মা এককথায় রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু ক’জন এই সুযোগ পায়? অনেক পুরুষ আবার ‘অনুমতি’ দিয়ে নিজেদের উদার বলে মনে করেন। এই মানসিকতাটা পাল্টানো দরকার।

প্র: সিরিজ়ে সঞ্জয় মিশ্র, টিনু আনন্দের মতো বরিষ্ঠ অভিনেতারা রয়েছেন। ওঁদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন?

উ: সম্প্রতি ‘বধ’-এ সঞ্জয়জির অভিনয় দেখে আরও একবার মুগ্ধ হয়েছি। আমি ওঁকে আজ অবধি কোনও দিন কোনও খলচরিত্রে অভিনয় করতে দেখিনি। ‘চিরাইয়া’তে প্রথম বার দেখলাম। সেটে প্রায়ই জিজ্ঞেস করতেন, ‘আজ কী খাবে বলো’। তার পরে নিজের হাতে রান্না করে নিয়ে আসতেন। আর টিনুজির রসবোধ তো বিখ্যাত! এই সিরিজ়ে সরিতা জোশীর মতো শিল্পীও ছিলেন, গুজরাতি থিয়েটারের প্রভাবশালী অভিনেত্রী।

প্র: সম্প্রতি ‘ছাওয়া’র মতো ছবিতে আপনি কাজ করেছেন, যে ছবি সুপারহিট হলেও ইতিহাস বিকৃতির জন্য সমালোচিত হয়েছিল...

উ: দেখুন, শেষ পর্যন্ত দর্শক ছবিটা গ্রহণ করছেন কি না, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। ‘ধুরন্ধর’-এর কথাই ধরুন। আমি ওয়াশরুমে যেতে পারছিলাম না, এত টানটান ছবি। ওটিটি আসার পর থেকে দর্শকের মানসিকতা বদলেছে। বড় পর্দায় দেখার মতো বিষয় না পেলে তাঁরা যেতে চান না, ওটিটির জন্য অপেক্ষা করেন। তবে গল্পটা ঠিক করে বলা জরুরি। দর্শক ভাল ছবির গন্ধ পান। ছবি ভাল হলে, তা ঠিক বুঝতে পারেন।

প্র: ছবিতে হিংসা, রক্তারক্তি প্রাধান্য পাচ্ছে, হিটও হচ্ছে...

উ: ব্যক্তিগত ভাবে আমি এটা একদম নিতে পারি না। তবে এখন গোটা পৃথিবীতে কী চলছে দেখুন! পর্দায় তো তার প্রতিফলন ঘটবেই।

সায়নী ঘটক

ছবি: সর্বজিৎ সেন

দিব্যা

সম্পূর্ণ পাতা