নিশীথ সূর্যের দেশের আলো, জয়ী হালান্ডরা
নিজস্ব প্রতিবেদন
২৩ জুন: বিশ্বকাপে আলো ছড়াচ্ছে নিশীথ সূর্যের দেশ নরওয়ে। ২৮ বছর পরে বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বে উঠলেন আর্লিং হালান্ডরা।
১৯৯৪-এর বিশ্বকাপে নরওয়ের দলে ছিলেন আলফ-ইঙ্গে হালান্ড ও গোরান সরলথ। সে বার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল নরওয়ে। এ বার বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বে দেশকে তুললেন তাঁদেরই ছেলেরা। আর্লিং হালান্ড ও আলেকজ়ান্ডার সরলথ। ৩২ বছর আগে আমেরিকাতেই আয়োজিত সেই বিশ্বকাপে নরওয়ের গোলরক্ষক ছিলেন এরিক থরস্টভেডট। তাঁর ছেলে ক্রিশ্চিয়ানও রয়েছেন এ বারের নরওয়ের দলে।
বিশ্বকাপের স্বপ্ন প্রবাহিত হয়েছে প্রজন্মান্তরে। সেই স্বপ্ন পূরণে যে তাঁরা মরিয়া, তা নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচেও জিতে, গোল করে জানিয়ে দিলেন হালান্ড। জোড়া গোল করে সোনালি বুটের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গেই রইলেন ম্যান সিটির তারকা স্ট্রাইকার। সেনেগালের বিরুদ্ধে ৩-২ জিতল নরওয়ে। এই নিয়ে দেশের হয়ে শেষ ১২ ম্যাচে গোল করলেন হালান্ড। শেষ ছ’ম্যাচে করলেন দু’টি করে। এ বারের বিশ্বকাপে সোনালি বুটের দৌড়ে তিনি কত দিন ধরে টিকে থাকতে পারেন, সেটাই এখন দেখার।
প্রথমার্ধে ডিফেন্ডার মার্কাস পেদারসেনের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, ৪৮ মিনিটে প্রতিআক্রমণে মার্টিন ওডেগার্ডের থ্রু থেকে গোল করেন হালান্ড। দু’গোলে পিছিয়ে পড়া সেনেগাল পাঁচ মিনিট পরই একটি গোল শোধ করে। সাদিয়ো মানের পাস থেকে গোলটি করেন ইসমাইলা সার। ৫৮ ফের গোল করে নরওয়েকে তিন গোলে এগিয়ে দেন হালান্ড। অতিরিক্তি সময়ে সেনেগালের হয়ে সার ফের গোল করলেও হার আটকাতে পারেনি। পরপর দু’টি ম্যাচ জিতে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই নক-আউট পর্বে চলে গেল নরওয়ে।
রুদ্ধশ্বাস জয় আলজিরিয়ার: জর্ডনের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন আলজিরিয়ার। ২-১ জিতে বিশ্বকাপের নক-আউটে পর্বে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলেন লুকা জ়িদান-রা। ৩৬ মিনিটে নিজ়ার আল-রাশদান এগিয়ে দেন জর্ডনকে। ৬৯ মিনিটে নাদির বেনবুয়ালি সমতা ফেরান। খেলা শেষ হওয়ার আট মিনিট আগে আমিন গৌইরি
জয়সূচক গোল করেন।
বিশ্বকাপ ২০২৬
নরওয়ে ৩ n সেনেগাল ২