পুলিশ হেফাজতে বাম নেতা, ২৭টি ধারায় মামলা
নিজস্ব সংবাদদাতা
অপরাধে প্ররোচনা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, গণপিটুনিতে হত্যা, বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা ও দাঙ্গায় উস্কানি, সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো, সরকারি কর্মীর উপরে হামলা ও কর্তব্যে বাধা-সহ মোট ২৭টি ধারায় মামলা রুজু হল সিপিএম নেতা লাহেক আলির বিরুদ্ধে। বালিকা ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে বিক্ষোভ ও গণপ্রহারে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে রবিবার রাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। সোমবার বিচারক তাঁর আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
গত ৫ জুলাই, রবিবার সকালে বালিকার দেহ উদ্ধারের পরে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। বিক্ষোভস্থলে হাজির হন লাহেক। অভিযোগ, সেখানে জনতাকে প্ররোচনা দেন তিনি এবং তার জেরে পুলিশের উপরে হামলা, পুলিশের গাড়ি-সহ সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এমনকি গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। যদিও সিপিএমের দাবি, লাহেক পৌঁছনোর আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। তিনি গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
বিজেপির আইনজীবী নেতা গৌতম চক্রবর্তী রবিবার লাহেকের বিরুদ্ধে আলাদা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় লাহেককে। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তে থানার সামনে লোকজন জড়ো হয়। তবে যে এলাকা থেকে লাহেককে ধরা হয়, সেই থানায় না রেখে রাতে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পাশের একটি থানায়। সোমবার সকালে সেখান থেকেই আদালতে তোলা হয় তাঁকে। আদালতের সামনে সিপিএম, বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা জড়ো হন। ডিম ছোড়ার আশঙ্কায় হেলমেট পরিয়ে গাড়ি থেকে নামানো হয় লাহেককে। পরে অবশ্য বিজেপি কর্মীদের দেখা যায়নি। তবে দিনভর আদালতে ছিলেন সিপিএমের বহু কর্মী-সমর্থক। সন্ধ্যায় আদালত থেকে বেরোনোর সময়ে লাহেককে দেখে স্লোগান দেন তাঁরা। পুলিশের গাড়িতে ওঠার মুখে লাহেক পাল্টা মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে অভিবাদন জানান। আদালতে ঢোকার সময়েই রাজনৈতিক