কটূক্তি মহিলা কনস্টেবলকে, ধৃত
}} কলকাতা পুলিশের এক মহিলা কনস্টেবলকে কটূক্তি এবং তাঁকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির অভিযোগে অ্যাপনির্ভর একটি ডেলিভারি সংস্থার কর্মীকে গ্রেফতার করল খড়দহ থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, সোমবার ওই কনস্টেবল স্কুটারে বিটি রোড ধরে ব্যারাকপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ে অভিযুক্ত আকাশ ঘোষ তাঁকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ও কটূক্তি করে বলে অভিযোগ। ওই কনস্টেবল স্কুটার থামিয়ে অভিযুক্তকে ধরেন এবং তাকে খড়দহ থানায় নিয়ে যান।
তরুণীর অপমৃত্যু
}} বাড়ি থেকে উদ্ধার হল এক তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। রবিবার, বড়তলা থানার দুর্গাচরণ মিত্র স্ট্রিটের ঘটনা। মৃতার নাম পল্লবী (২৫)। আদতে তিনি রাজস্থানের ঢোলপুরের বাসিন্দা। দুর্গাচরণ মিত্র স্ট্রিটের বাড়ির দোতলার ঘরের সিলিং পাখা থেকে ওই তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি।
মৃত্যু পথচারীর
}} ডায়মন্ড হারবার রোড ও বর্ধমান রোডের সংযোগস্থলে গাড়ির ধাক্কায় রবিবার রাতে মৃত্যু হল বছর চল্লিশের এক পথচারীর। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই পথচারীকে এসএসকেএমে নিয়ে গেলে মৃত বলে জানানো হয়। দুর্ঘটনার পরেই পালায় গাড়িটি।
গয়নার হদিস
}} তোলাবাজি, হুমকির মামলায় ধৃত বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে হেফাজতে জেরায় মিলল গয়নার হদিস। তাঁকে নিয়ে সোমবার বিধাননগর পুলিশ নাগেরবাজার এলাকায় একটি ব্যাঙ্কে যায়। পুলিশ সূত্রের খবর, সেখানে লকার থেকে আনুমানিক ১৫০ গ্রাম সোনার গয়না ও আংটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
জখম চালক
}} বাসের ধাক্কায় আহত হলেন এক স্কুটারচালক। সোমবার, বিদ্যাসাগর সেতুতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতের নাম অমিত মাইতি। তিনি হাওড়ার বাসিন্দা। কলকাতার দিকে আসার সময় শ্যামপুর-ধর্মতলা রুটের একটি বাস অমিতকে ধাক্কা মারে। আহত চালককে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাজেয়াপ্ত ফোন
}} প্রতারণা করে টাকা তোলা হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে সোমবার রাতে কসবার রাজডাঙায় একটি বাড়িতে হানা দিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা দফতরের সাইবার শাখা। পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযানে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ছ’জন মহিলা-সহ মোট আট জন কাজ করছেন। তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৩০টি মোবাইল এবং ৫০টি সিম কার্ড।
টাকা উদ্ধার
}} নিউ টাউনের টেকনো সিটি থানা এলাকায় একটি বহুতলের ফ্ল্যাট থেকে সোমবার উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ টাকা। বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতর, সাইবার থানা ও টেকনো সিটি থানার পুলিশ একত্রে ওই অভিযান চালায়। পুলিশ সূত্রের খবর, গভীর রাত পর্যন্ত টাকা গোনার কাজ চলে। যদিও সরকারি ভাবে পুলিশ এখনও কিছু জানায়নি।
গ্রেফতার বাবা-মা
}} তেরো বছরের সৎমেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎবাবাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনা জেনেও চুপ থাকা এবং মদত দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ কিশোরীর মাকেও গ্রেফতার করেছে। রবিবার রাতে তাদের ধরা হয় উত্তর ২৪ পরগনা থেকে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, কিশোরীর মায়ের তিনটি বিয়ে। প্রথম স্বামী মারা গিয়েছেন। দ্বিতীয় স্বামী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তৃতীয় স্বামীর সঙ্গে মহিলা মেয়েকে নিয়ে দিল্লিতে থাকেন। তৃতীয় স্বামীর বাড়ি বিহারে। অভিযোগ, দিল্লিতে থাকার সময়ে সৎবাবা মেয়েটিকে একাধিক বার ধর্ষণ করে। কয়েক দিন আগে তারা জেলায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সেখানে কিশোরী তার আত্মীয়দের বিষয়টি বলে। সে বাবা-মায়ের সঙ্গে আর দিল্লি ফিরে যেতে চাইছিল না। আত্মীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ বাবা-মাকে থানায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা অভিযোগ স্বীকার করে নেয় বলে দাবি পুলিশের।