সেবাশ্রয় শিবিরে পা হারানোর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ মন্ত্রীর
নিজস্ব সংবাদদাতা
হাঁটুর ব্যথা নিয়ে ৫৯ বছরের মহিলা গিয়েছিলেন সেবাশ্রয় শিবিরে। অভিযোগ, সেখানে চিকিৎসা করানোর পরে অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় বাঁ হাঁটু প্রতিস্থাপন করতে হয়। কিন্তু অস্ত্রোপচার পরবর্তী জটিলতায় বাঁ হাঁটুর উপর থেকে তাঁর পা কেটে বাদ দিতে হয়। সম্প্রতি মহেশতলার বাসিন্দা মালতী বিশ্বাসের ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর ছেলেকে ডেকে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি জানান, ঘটনার তদন্ত হবে এবং
ওই মহিলাকে রাজ্যের তরফে সহযোগিতা করা হবে। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও সেবাশ্রয় শিবিরের তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সোমবার সকালে মালতীর ছেলে সৌম্যদীপ বিশ্বাস চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনে আসেন। তাঁদের অভিযোগ, সেবাশ্রয় শিবির থেকে ভুল ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তার পরে যে
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল সেখানেও বিভিন্ন বিভাগে ঘুরে বেড়াতে হয়। শেষে পা কেটে বাদ দিতে হয়। পরে শারদ্বত জানান, প্রাথমিক ভাবে সেবাশ্রয় শিবিরের যে প্রেসক্রিপশন দেখা গিয়েছে, তাতে অ্যালোপ্যাথি কোনও চিকিৎসকের স্বাক্ষর বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই। প্রেসক্রিপশনটি কোনও হাতুড়ে চিকিৎসক বা অননুমোদিত ব্যক্তি লিখে থাকতে পারেন বলে মন্ত্রী তথা চিকিৎসক শারদ্বতের অনুমান। ওষুধের মাত্রাতেও অসঙ্গতি রয়েছে বলে দাবি মন্ত্রীর। তিনি বলেন, ‘‘গোটা ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। চিকিৎসকদের তথ্য ও স্বাস্থ্য দফতরের তদন্তের রিপোর্ট পুলিশের কাছে দেওয়া হবে।’’