জমি জোগাড় নিয়ে আলোচনা মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকে
নিজস্ব সংবাদদাতা
রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের পৌরোহিত্যে একটি মন্ত্রিগোষ্ঠী ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে রাজ্যে। সূত্রের দাবি, তার প্রথম বৈঠকে শিল্প-অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে জমি জোগাড়ের উপরেই।
এত দিন বিনিয়োগের প্রশ্নে জমি প্রধান অন্তরায় হয়ে উঠেছিল। তবে তা কাটানোর ইঙ্গিত আগেই দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে জমির পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরির প্রস্তুতি শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকারি খাস জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি, যে শিল্প সংস্থাগুলি জমি পেয়েও তা কাজে লাগায়নি তার সমীক্ষা এবং বন্ধ কারখানার জমির ব্যবহার কী ভাবে করা যায়, সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু হচ্ছে। কোথায় কত জমি রয়েছে এবং তা কোন ধরনের শিল্প সংস্থাকে দেওয়া যায়, তারও একটা রিপোর্ট তৈরি করা হবে বলে খবর। বিগত সরকারের আমলে জমি ব্যাঙ্ক তৈরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আধিকারিকদের একাংশের মতে, সেই কাজ তেমন এগোয়নি। তাই প্রকৃত অর্থে জমি ব্যাঙ্ক প্রস্তুত করতে চাইছে বিজেপি সরকার। পাশাপাশি, বিনিয়োগ-সম্ভাব্য বিভিন্ন দেশে ‘কনসালট্যান্ট’-দের মাধ্যমে নবান্ন তুলে ধরতে পারে এ রাজ্যের মানবসম্পদ, কাঁচামাল, সম্পদ-বৈচিত্র্য, জমি, সুযোগসুবিধার তথ্য। অনেকের মতে বিদেশি বিনিয়োগ টানার প্রশ্নে এক জানলা ভিত্তিক তথ্যভান্ডার শিল্প মহলের কাছে পৌঁছনোর কৌশল নিয়েছে সরকার।
শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় বলেন, ‘‘শিল্পনীতি, জমিনীতি এবং শহরাঞ্চলে শিল্পের জন্য জমির ঊর্ধ্বসীমা সংক্রান্ত আইন ইত্যাদি সব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই ধরনের নীতি তৈরি প্রায় শেষ পর্যায়ে।’’