হলেও, পুলিশ তাঁকে ভয় দেখায়নি বলেই দাবি করেছেন রবিউল। এই প্রেক্ষিতে মুর্শিদাবাদ পুলিশ-জেলার সুপার সচীন মাক্কার বলেছেন, “কার উপরে অত্যাচার হয়েছে? নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে বলুন।”
নানা কাণ্ড ঘটেছে হুমায়ুন ও তাঁর দল এজেইউপি-কে কেন্দ্র করেও। আগ্নেয়াস্ত্র ও জাল নোট-সহ এজেইউপি-র রাজ্য সম্পাদক সুখবর মোল্লা ওরফে আশিক ইকবালকে এবং পুরনো মামলায় এজেইউপি-র নওদা ব্লক সভাপতি সাইফুল ইসলাম মদনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হুমায়ুনের দাবি, “আশিক সমাজমাধ্যমে বিজেপি ও আবু তাহেরের বিরুদ্ধে বলায় পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়েছে। সাইফুল ইসলামকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ভোটের আগে নেতা-কর্মীদের দমানোর চেষ্টা করছে পুলিশ।” এনসিপিআই সাংসদ আবু তাহের খানের দাবি, “পুলিশ তাদের কাজ করছে।” এই আবহে হুমায়ুনের শক্তিপুরের বাড়িতে নোটিস দিয়ে তাঁকে ২১ তারিখ থানায় তলব করেছে পুলিশ।
অব্যাহত প্রতীক-তরজাও। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এজেইউপি-র রেজিনগরের প্রার্থী গোলাম নবী আজাদকে ‘টেবিল’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে। হুমায়ুন জানান, ২৪ মার্চ তাঁর দল কমিশন থেকে ‘বাঁশি’ প্রতীক পেয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশন বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে ভোটের মাঝে বাঁশির পরিবর্তে টেবিল চিহ্ন দিয়েছে। মানুষ ইভিএমে যোগ্য জবাব দেবেন।” রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার পাল্টা বলেছেন, “হুমায়ুনের অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগ নেই।” গত দু’টি বিধানসভা ভোটে ‘খাম’ চিহ্নে আইএসএফ লড়লেও, তাদের এ বার ‘আলমারি’ প্রতীক দেওয়া হয়েছে। খাম প্রতীক ফেরত চেয়ে তাঁরা কমিশনে চিঠি দিয়েছেন বলে জানান আইএসএফ চেয়ারম্যান নওসাদ সিদ্দিকী। তাঁর সংযোজন, “আমরা সোমবারই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হব। যে দলটা ছিলই না, সেই দল রাতারাতি স্বীকৃত দল হয়ে গেল?” প্রসঙ্গত, খাম প্রতীক পেয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস (ডিটিসি)। যদিও কমিশন সূত্রে ব্যাখ্যা, তামিলনাড়ুর বিজয়ের দল টিভিকে এখন রাজ্য দল (স্টেট পার্টি) হিসাবে স্বীকৃত। তারা বাঁশি প্রতীকে গত বিধানসভায় লড়েছিল, সেটাই কমিশন তাদের স্থায়ী প্রতীক হিসেবে বরাদ্দ করেছে। নথিভুক্ত কিন্তু স্বীকৃতিহীন দলের জন্য ‘ফ্রি’ প্রতীক থেকে আইএসএফের মতো দল চিহ্ন পায়, যা স্থায়ী প্রতীক নয়।